১৪/০১/২০২৬, ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ
15 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

যশোরের শার্শায় ভেজাল গুড় কারখানাসহ তিন প্রতিষ্ঠানে জরিমানা

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া এলাকায় ভেজাল গুড় উৎপাদনের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালিয়ে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে উপজেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বিজ্ঞাপন

বুধবার দুপুরে পরে বাগআঁচড়া ঘোষপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা প্রশাসন, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে গঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মাকদুম।

অভিযানে ভেজাল গুড় উৎপাদনের দায়ে আলী আহম্মেদ (৬০) ও নয়ন মিয়া (৩৪) নামের দুই ব্যক্তিকে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জাহাঙ্গীর ইলেকট্রনিক্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানে এলপিজি গ্যাস ক্রয়-বিক্রয়ের বৈধ রশিদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় ভেজাল গুড় তৈরিতে ব্যবহৃত নকল খেজুরের গুড় ও বিভিন্ন ধরনের কাঁচামাল জব্দ করা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে যশোর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড়ের সুনাম ব্যবহার করে নকল খেজুরের গুড় ও আখের গুড় উৎপাদন করে বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কারখানাগুলোতে অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মাকদুম বলেন, “ভেজাল খাদ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। মানুষের জীবন নিয়ে কেউ ব্যবসা করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি সেলিমুজ্জামান, শার্শা উপজেলা স্যানিটারি অফিসার সেফালি খাতুনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থ রক্ষায় ভেজালবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে এবং এ বিষয়ে কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

পড়ুন: মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নওগাঁয় ৬.৭ ডিগ্রি

দেখুন: ভারত সোনার মজুত এত বাড়াচ্ছে কেন?

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন