বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের

অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ভিসা আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিতে সহায়তাকারী চক্রগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে নবজাতকের জন্য নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করেই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স-এর হাতে আসা এক অভ্যন্তরীণ ই–মেইল থেকে জানা গেছে, মার্কিন অভিবাসন সংস্থা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) দেশজুড়ে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ‘বার্থ টুরিজম ইনিশিয়েটিভ’ বা জন্ম পর্যটনবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো এমন চক্রগুলোকে চিহ্নিত ও দমন করা, যারা বিদেশি অন্তঃসত্ত্বা নারীদের যুক্তরাষ্ট্রে এনে সন্তান জন্মের সুযোগ করে দেয়, যাতে শিশুটি জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পায়।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই রিপাবলিকান নেতা ট্রাম্প বৈধ ও অবৈধ—উভয় ধরনের অভিবাসন কমাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের প্রচলিত নিয়ম সীমিত করার প্রচেষ্টাও তার প্রশাসনের নীতির অংশ।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি বলেছেন, ‘অবাধ জন্ম পর্যটন করদাতাদের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশে জন্মসূত্রে স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্বের বিধান নেই।

এ বিষয়ে চলমান তদন্ত নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি। তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, জন্ম পর্যটনের সঙ্গে জড়িত কিছু চক্র যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে সহায়তা করছে—এমন তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। সংস্থার এক মুখপাত্র বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান জন্ম দেওয়া নিজেই অবৈধ নয়। তবে এ প্রক্রিয়ায় ফেডারেল আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনগুলো শনাক্ত ও মোকাবিলায় আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।’

বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে আরও কঠোরতা দেখা দিতে পারে এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের বিষয়টি নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ইরানকে সামরিক সহায়তার বিষয়ে চীনকে যে হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন