যুদ্ধবিরতির পরও লেবাননের রাজধানী বৈরুতসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এসব হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছে।
পাকিস্তানের বক্তব্য অনুযায়ী ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবানন অন্তর্ভূক্ত হলেও তা মানতে চাইছে না ইসরাইল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দফতর বলছে, তারা ইরানে মার্কি হামলা বাতিলের সিদ্ধান্ত সমর্থন করলেও এটা লেবাননের ওপর কার্যকর হবে না।
পাকিস্তানের মধ্যস্থাতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যা ইরান ও মার্কিন উভয় পক্ষই নিশ্চিত করেছে। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এক এক্স পোস্টে জানান, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এবং তাদের মিত্ররা যুদ্ধবিরতিতে একমত হয়েছে। যা লেবানন ও অন্যসব রণাঙ্গনে কার্যকর হবে।’
শরিফ জানান, যুদ্ধবিরতির এই পদক্ষেপ ‘তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।’ কিন্তু পাক প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরই ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়।’
ইসরাইল আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জানিয়েছে, তারা লেবাননে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে হিজবুল্লাহর ১০০টিরও বেশি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া নতুন সামরিক অভিযানের পর এটি ছিল সবচেয়ে বড় সমন্বিত হামলা।
তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে এবং একাধিক এলাকায় একযোগে ইসরায়েলি বাহিনী ১০০টিরও বেশি হিজবুল্লাহ কমান্ড সেন্টার ও সামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে।’
লক্ষ্যবস্তু এলাকাগুলোর মধ্যে রাজধানী বৈরুত, বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থান ছিল বলে জানানো হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আঘাত করা অধিকাংশ স্থাপনা বেসামরিক জনবসতির ভেতরে অবস্থিত ছিল। তবে ‘নিরীহ মানুষের ক্ষতি যতটা সম্ভব কমাতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে’ বলেও দাবি করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরান যুদ্ধবিরতি ভিক্ষা চেয়েছে : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী


