মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশই আরও তীব্র হচ্ছে। অঞ্চলটিতে মার্কিন সেনা উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সামরিক মহড়া, রণতরী আর আধুনিক সব যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো সময় যুদ্ধ বাধার শঙ্কা ধীরে ধীরে প্রকট হচ্ছে।
তবে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কিংবা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকি-ধমকিতে ভীত হয়ে বসে নেই ইরানও। কূটনৈতিকভাবে সঙ্কট সমাধানের জন্য আলোচনার টেবিলে বসার পাশাপাশি, সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্যও নিজেদের প্রস্তুত রাখার দাবি করেছে দেশটি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ ইরানের বেশ কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনার স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে। বিশ্লেষকদের দাবি, স্থাপনাগুলোকে আরও বেশি নিরাপদ এবং শক্তিশালী দেখাচ্ছে।
এছাড়াও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র পুনর্নির্মাণ করেছে ইরান। তবে, ইসরায়েলের সাথে ১২ দিনের যুদ্ধে ফাইটার জেট এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বেশ ভুগতে হয়েছে দেশটিকে। সেজন্য, সম্ভাব্য যুদ্ধের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে, ফাইটার জেট ক্রয় এবং রাশিয়ার কাছ থেকে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েছে ইরান। এরই ধারাবাহিকতায় বিমান ঘাঁটিগুলো মেরামত করা হচ্ছে, যাতে যেকোনো আকস্মিক হামলার ক্ষেত্রে সেগুলো কার্যকর থাকে এবং র্যাপিড কাউন্টার-অ্যাটাক করা যায়।
পড়ুন:এপস্টেইন কেলেঙ্কারি ছাড়া পেলেন অ্যান্ড্রু, তদন্ত চলবে
দেখুন:দাম কমাতে চিনি আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহারের সময় বাড়ছে |
ইমি/


