২০/০২/২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
20 C
Dhaka
২০/০২/২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

যে কারণে আপিল করতে পারবেন না হাসিনা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যাসহ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় দেবেন।

বিজ্ঞাপন

আইন অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার অবস্থায় থাকলে ত্রিশ দিন বা এক মাসের মধ্যে আপিল করতে পারেন। এই সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষও চাইলে আপিল বিভাগে যেতে পারে। তবে পলাতক আসামিদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হোসাইন তামিম বলেন, এই মামলার আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান পলাতক। তাই তাদের সাজার রায় হলে আপিল করার সুযোগ থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধিতে (সিআরপিসি) জামিনের ক্ষেত্রে নারী, অসুস্থ, কিশোর বা শিশুদের অগ্রাধিকার থাকলেও, রায়ের ক্ষেত্রে নারীকে আলাদাভাবে কোনো সুযোগ দেওয়ার বিধান নেই। ট্রাইব্যুনাল আইনেও এ ধরনের কোনো বিশেষ বিধান নেই। ফলে আসামি নারী বা পুরুষ—যাই হোন, অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনাই হবে শাস্তি নির্ধারণের ভিত্তি।

এই মামলায় গ্রেফতার একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে ‘রাজসাক্ষী’ বা ‘অ্যাপ্রুভার’ হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি জানান, গত বছরের ১৮ জুলাই তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি ‘লেথাল উইপন’ (প্রাণঘাতী অস্ত্র) ব্যবহারের নির্দেশ পেয়েছিলেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্ট মাসে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে নিরীহ, নিরস্ত্র দেড় হাজার ছাত্র–জনতাকে হত্যা এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে আহত করা হয়েছিল।

পড়ুন: সবার দৃষ্টি শেখ হাসিনার রায়ের দিকে

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন