দেশে হঠাৎ করে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ার কারণ হিসেবে নিয়মিত টিকা কার্যক্রম ব্যহত হওয়াকে দুষছেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, অভিভাবকদের অবহেলাও কিছু ক্ষেত্রে বাড়িয়েছে এ শঙ্কা। তবে হাসপাতালে ভর্তি অধিকাংশ হামের রোগীর বয়স ৯ মাসের কম। এতেই দুশ্চিন্তা বাড়ছে অভিভাবকদের। আর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় নেয়া হয়েছে সব ধরণের প্রস্তুতি। প্রস্তুত করা হচ্ছে আইসিইউসহ বিভাগীয় হাসপাতালগুলোও।
দেশে হঠাৎ করেই বেড়েছে হামের প্রাদুর্ভাব। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে আক্রান্ত শিশুর হার। সংক্রামক এ রোগ শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে দ্রুত একজন থেকে অন্যজনে ছড়িয়ে পড়ে।
রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালেও বেড়েছে কয়েকগুণ বেশি হামের রোগী। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছেন রোগীরা। চিকিৎসকরা বলছেন, শিশুদের ৯ থেকে ১৫ মাসের মধ্যে হামের টিকার নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কারণেই বাড়ছে প্রাদুর্ভাব। চলতি বছর এই হাসপাতালেই হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ছয় শতাধিক শিশু, এর মধ্যে মারা গেছে ২২ শিশু।
তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, আক্রান্ত অধিকাংশ শিশুর বয়সই ৯ মাসের কম। এতে দুশ্চিন্তা বাড়ছে অভিভাবকদের। আবার কারও কারও টিকা নেয়ার পরও হয়েছে হাম।
এদিকে, হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এখনই অতিমারী না হলেও অতিমারী হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করে মন্ত্রী জানান, সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। প্রস্তুত করা হচ্ছে বিভিন্ন হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটসহ বিভাগীয় শহরের হাসপাতালও।
এদিকে এর মধ্যে হামসহ অন্যান্য টিকা কেনার জন্য ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইউনিসেফের মাধ্যমে শিগগিরই টিকা সংগ্রহ করা হবে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

