১৮/০২/২০২৬, ১৮:২২ অপরাহ্ণ
28 C
Dhaka
১৮/০২/২০২৬, ১৮:২২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

রমজানে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘রহমত’

বরাবরের মতো এ রমজানেও বৈশাখী টিভিতে প্রচার হবে প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘রহমত’। পহেলা রমজান থেকে প্রতিদিন বিকাল ৬.২০ মিনিটে প্রচার হবে নাটকটি। আল আমিন স্বপনের রচনায়, মামুন আব্দুল্লাহর পরিচালনায় , লিটু সোলায়মানের ব্যবস্থাপনায় নাটকের সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে আছেন বৈশাখী টিভির উপব্যবস্থাপনা পচিালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন। বৈশাখী টিভির অনুষ্ঠান বিভাগ প্রযোজিত এ নাটকের সংগীত আয়োজনে আছেন নসরুল হক রনি ও রিফাত বিন কাউসার, চিত্রগ্রহণে কবিরুল ইসলাম ইমরান ও আবু তাহের, সম্পাদনায় দীপঙ্কর চৌধুরী। অভিনয় করেছেন- আব্দুল্লাহ্ রানা, মৌ শিখা, এম কে এইচ পামির, শেখ স্বপ্না, আশরাফুল আশীষ, মুসকান সিকদার, আলিফ চৌধুরী, ডিম্পল আহমেদ, নিপুন আহমেদ, অধরা নিহারিকা, সিদ্দিক মাষ্টার, মনিরুজ্জামান মনি, হাসিমুন, শিশুশিল্পী রেহনুমা আরিবা, মাসুদ হারুন, আলমাস, ইমরান হোসেন হাসো, লেলিন মৃধা, সাভা তাবাসসুম, শৈশব আমিরী, শাহজাহান শোভন, হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
পরিচালক মামুন আব্দুল্লাহ বলেন, ‘নাটকের মূল উদ্দেশ্য-পবিত্র রমজানে কোরান হাদিসের আলোকে মানুষকে সচেতন করা, যাবতীয় অন্যায় থেকে দূরে রাখা, ভালো ভালো কাজের প্রতি উৎসাহিত করা।’ নাটকের গল্প নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, মফস্বল শহরের একটি গ্রাম সুন্দরগঞ্জ। এ গ্রামেই পরিবার পরিজন নিয়ে বাস করেন আলী মাষ্টার। সারাজীবন হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। তিন বছর আগে অবসর নিয়েছেন। তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে তিতলি স্বামীসহ এই বাড়িতেই থাকে। একমাত্র ছেলে মিঠু এবং ছোট মেয়ে তিশাও এ বাড়িতে থাকে। রমজান মাস। সেহরী খাবার টেবিলে আলী মাষ্টার দুইটি ঘোষনা দেন- ‘এক. আগামীকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাসায় যেন কোনো রান্না না করা হয়, দুই. পুরো রমজান মাসেই তিনি সেহেরী এবং ইফতারের সময় একজন করে মেহমান নিয়ে আসবেন। মেহমান বলতে গরীব দুঃখী মানুষকে বুঝিয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে কেউ কোনো আপত্তি তুলতে পারবে না।’
সকাল থেকে বাড়িতে রান্না হয়নি দেখে রহমত মাষ্টারের ছেলে মিঠু বাজারের এক দোকানে বসে চা এবং সিগেরেট খায়। দোকানে পর্দা টাঙানো থাকায় বাইরে থেকে বোঝা যায় না। সেখানেই আসে তার দুলাভাই মতিন। বাইরে বসে খাওয়া যাবে না বলে দুই শালা দুলাভাই এখানে বসেই চা নাস্তা করে। শুধু চা নাস্তা খেয়েই সারাটাদিন তাদের
ক্ষুধায় কষ্ট করতে হয়। আলী মাষ্টার সেদিনই তার স্কুলের মসজিদের মওলানা সাহেবকে ডেকে আনেন বাড়িতে। ছেলে এবং জামাইকে মওলানা সাহেবের সামনে বসিয়ে রোজা না রাখলে কি কি ক্ষতি হয় সেই সম্পর্কে আলোচনা করেন। পবিত্র কুরআন হাদিসে রোজা না রাখা সম্পর্কে কি কি বলা আছে তাও তারা আলোচনা করেন। এবং ইফতার করতে যে ভিক্ষুককে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে, তাকে দেখিয়ে আলী মাষ্টার বলেন, ‘এই লোক ভিক্ষা করে যদি রোজা রাখতে পারে তোমরা কেন পারবে না?’
জামাই এবং ছেলে লজ্জা পেয়ে পরের দিন থেকে রোজা রাখবে বলে ওয়াদা করে। ছেলে এবং জামাইয়ের এই সমস্যা সমাধান করে পরের দিন আলী মাষ্টার আরেকটি জিনিস খেয়াল করেন। তার ছোটমেয়ে তিশা রোজা রাখে ঠিকই। কিন্তু রোজা রেখে সে টিকটক করে। আলী মাষ্টার রোজা রেখে মেয়েরা টিকটক
করতে পারবে কি পারবে না , এই বিষয় নিয়ে ভালোভাবে খোঁজ খবর নিয়ে মেয়েকে বোঝান। মেয়েকে ওয়াদা করান যে রোজা রেখে এসব করা ঠিক না।
আলী মাষ্টারের আরেক বন্ধু আজমল সুদের ব্যবসা করে। রোজার মাসেও সে সুদে টাকা লাগায়। এবং রোজা রেখেই সুদের টাকা তোলে। তার ছেলে আবুলও বাপের মতো একই কাজ করে। গ্রামের মধ্যে গ্যাঞ্জাম ফ্যাসাদেও আবুল ওস্তাদ। বখাটে ছেলে বলতে যা বোঝায় আবুল ঠিক তাই। ওদিকে আজমলের মেয়ে তানিয়ার অবস্থা আরও খারাপ। একসাথে অনেকগুলো প্রেম করে। ধর্মের কোনো বিষয়ই মেনে চলে না। এমনকি রোজাও রাখে না। তানিয়া আর আবুলকে
নিয়ে আজমলের কোনো বিকার নেই। আলী মাষ্টার আজমলের সাথে দেখা হলে এসব বিষয়েও কথা বলে। তাতে খুব একটা লাভ হয়না। আলী মাষ্টারের মেয়ে তিশার সাথে আবার আবুলের আছে প্রেম। এই প্রেম নিয়েও নানান সময়ে ঝামেলা হয়। এভাবেই একের পর এক ঝামেলা আর চরিত্র এসে হাজির হয়। নানা ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলে নাটকের কাহিনী।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন:কলেজে ঈদের ছুটি শুরু, বন্ধ ২৮ মার্চ পর্যন্ত

দেখুন:ভালোবাসার টানে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে মার্কিন তরুনী সামান্থা |

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন