১৪/০১/২০২৬, ২০:৪৭ অপরাহ্ণ
22 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ২০:৪৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

রাঙামাটিতে বুনো হাতির আক্রমণে ২ নারীর মৃত্যু

রাঙামাটির আসামবস্তি-কাপ্তাই সংযোগ সড়কের কামিলাছড়িতে বুনো হাতির পালের আক্রমণে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে দুইটি পৃথক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। এ দুটি ঘটনায় দুইটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা দুমড়েমুচড়ে গিয়েছে। একটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নিহত দুই নারী হলেন ঝর্না চাকমা (৬০) ও সবিতা চাকমা (৬২)। এরমধ্যে ঝর্না চাকমা রাঙামাটি সদর উপজেলার জীবতলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড চেয়ারম্যানপাড়া এলাকা এবং সবিতা চাকমা মগবান ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড গলাছড়ি এলাকার বাসিন্দা। আহতরা হলেন- অনিমেষ চাকমা, ত্রিজয় চাকমা। তাদের বিস্তারিত নাম-ঠিকানা জানা যায়নি।

রাঙামাটি সদর উপজেলার জীবতলী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ধন বিকাশ চাকমা বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাতির আক্রমণে একজন নারী নিহত হয়েছে৷ আরেকজন জরুরি অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আহত ছিল আরও দুজন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা ওমর ফারুক স্বাধীন জানান, আজ (রোববার) সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটের দিকে সদরবিট এলাকায় একটি সিএনজি অটোরিকশায় বুনো হাতির পাল আক্রমণ করে। তখন ঘটনাস্থল থেকে অটোরিকশা সরে যান এবং আমাদেরকে জানান। বন বিভাগের লোকজন খবর পেয়ে দ্রুতই ঘটনাস্থলের দিকে যান এবং সন্ধ্যা ৬টার দিকে কামিলাছড়ি এলাকায় রাস্তায় আরেকটি সিএনজি অটোরিকশা পড়ে থাকতে দেখে। সেখানে দুইজন নারী (পাহাড়ি) আহত অবস্থায় ছিলেন। পরে সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরেকজনকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চট্টগ্রামে রেফার্ড করা হয়। চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে রাঙ্গুনিয়ার শান্তিরহাটে মারা যান।

রেঞ্জ কর্মকর্তা আরও বলেন, ঘটনাস্থলে বিচ্ছিন্নভাবে দুইটি হাতির পাল ছিল। দুটি পালে শাবকসহ ৬-৭টি হাতি ছিল। পরবর্তীতে রাত ৭টার মধ্যেই আমরা ওই সড়কে যাতায়াত ও পর্যটকদের সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় নিরাপদে সরিয়ে এনেছি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রাঙামাটিতে বুনো হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু, আহত ৩

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন