গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে তীব্র দাবদাহ চলছে। দেশের কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের পারদ ছুঁয়েছে। পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতেও গড়ে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। তীব্র গরমে জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে সকলেরই ত্রাহি দশা।
এর মধ্যেই আজ রবিবার (১১ মে) দুপুরেই হঠাৎ ঝড়ে হাওয়া আর শীলা বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন পাহাড়ি এ জেলার মানুষ।
তবে শীলা বৃষ্টির যেসব এলাকায় ধান পেঁকেছে; সেখানে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ। এদিকে, শীলা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা ভেঙে পড়েছে বৈদ্যুতিক সঞ্চালন তারের ওপর। রবিবার রাত ৯টার আগ পর্যন্ত জেলা শহরের কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কিছু এলালায় বিদুৎ সরবরাহ ছিল না।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঝড়ো হাওয়া আর শীলা বৃষ্টির পর বৈদ্যুতিক সরবরাহ না থাকায় দাপ্তরিক কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। শীলাবৃষ্টির শীলারছবি ফেসবুকে পোস্ট করে ঝিমি চাকমা নামে এক উন্নয়ন কর্মী ফেসবুকে লিখেছেন, দুনিয়া ঠাণ্ডা হলো কিন্তু ফসল নষ্ট হলো।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) রাঙামাটি কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, শীলা বৃষ্টি একসঙ্গে পুরো জেলায় হয়নি। যে সব এলাকায় শীলা বৃষ্টি হয়েছে সেখানে যদি পাঁকা ধান এখনো সফলের মাঠে কর্তনযোগ্য থাকে সেক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া এখনো অন্যান্য সফল তেমন মাঠে নেই। ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা কম।
তবে রাঙামাটিতে রবিবার কী পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে সেটি জানা যায়নি। রাঙামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কাউকে পাওয়া যায়নি।
এনএ/


