রাঙামাটির ঘাগড়া-চট্টগ্রাম সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান নিয়ে সশস্ত্র একটি দলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও জনহয়রানির অভিযোগ উঠেছে। দলটিতে থাকা ৩৫-৪০ দলের কাছে স্বয়ংক্রিয় ও দেশীয় অস্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার ফটিকছড়ি ইউনিয়নের ডাবুয়া বাজারে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ফটিকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উষাতন চাকমা। এসময় তার সঙ্গে ফটিকছড়ি ইউপি সদস্য জগদীশ চাকমা, সাবেক ইউপি সদস্য অংচাজাই মারমা, চাথুইমং মারমা, কলমপতি ইউপি সদস্য মংথুইপ্রু মারমা, সমাজকর্মী উবাইচিং মারমা, কারবারি চাইশিমং মারমা, হরি প্রু মারমাসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ফটিকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি উষাতন চাকমা বলেন, ‘গত ৩১ অক্টোবর থেকে কাউখালী উপজেলার ৮টি গ্রামে ৩৫-৪০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল অবস্থান করে গ্রামের লোকজনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদাবাজি করছে। এতে করে পুরো কাউখালী উপজেলায় ভয় ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা স্থানীয় লোকজনের মোবাইল ফোন কেড়ে নিচ্ছে ও ফোন ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করছে। এসব হয়রানীর বিরুদ্ধে আমরা এলাকাবাসী সমাবেশ করেছি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলন থেকে অবস্থানরত সশস্ত্র গ্রুপটির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্রশাসনের কোনো গাফিলতির আছে কিনা- তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায় ইউপি চেয়ারম্যান।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাঙামাটির কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাজী আতিকুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়রা একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন এবং সেটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।’
পড়ুন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ইতালি জেনোভা শাখার কমিটি অনুমোদন


