বেতন বৃদ্ধি ও পদোন্নতির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। রোববার সকাল থেকে সারাদেশের মতো পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলাতেও এ কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।
উপজেলার ৭১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ও চতলাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিদিনের মতো বিদ্যালয়ে এলেও শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেননি। ফলে কেউ মাঠে খেলাধুলায় মেতে উঠেছে, আবার কেউ ক্লাসরুমে বসে শিক্ষকদের অপেক্ষায় সময় কাটাচ্ছে।
শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা বেতন কাঠামো সংশোধন ও পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। কিন্তু দাবি পূরণ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে কর্মবিরতিতে গেছেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে বলেও জানান শিক্ষকরা।
অন্যদিকে, হঠাৎ করে পাঠদান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা। তারা জানায়, এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মারাত্মক ক্ষতি হবে। তাই সরকার দ্রুত বিষয়টি সমাধানে উদ্যোগ নেবে-এমন প্রত্যাশা জানিয়েছেন তারা।
বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, রাঙ্গাবালী উপজেলার ৭১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে আছে। সামনে বার্ষিক পরীক্ষা এবং এ বছরই বৃত্তি পরীক্ষা হবে। সেক্ষেত্রে এই কর্মবিতরি এবং পাঠদান বন্ধ থাকলে লেখাপড়ার ওপর একটা প্রভাব পড়বে। তবে আশা করি সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সমাধান আসবে।
উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। সর্বশেষ তারা দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এতে সারাদেশে সাড়ে ৬৫ হাজারেরও বেশি বিদ্যালয়ের প্রায় এক কোটি শিশু শিক্ষার্থীর ক্লাস বন্ধ হয়ে গেছে।
সন্ত্রাসী ধরতে পদ্মাচরে কুষ্টিয়াসহ চার জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান


