১১/০২/২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

রাঙ্গাবালীতে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, পানিবন্দি হয়ে পড়েছে নিম্নাঞ্চলের মানুষ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে গত পাঁচদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে সোমবার সন্ধ্যা থেকে টানা বৃষ্টির কারণে নিন্মাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে উপকূলীয় রাঙ্গাবালী উপজেলায় নিন্মাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। অধিকাংশ খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ, স্লুইসগেটগুলো অকেজোসহ পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা অপ্রতুল হওয়ায় তলিয়ে যাচ্ছে কৃষি খেত। ডুবে গেছে আমন বীজলা। পানি বন্দী হয়ে পড়ছে নিন্মাঞ্চলের বাসিন্দারা।

বিজ্ঞাপন

পটুয়াখালী আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বেলা ১২ টা থেকে আজ মঙ্গলবার বেলা ১২ পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ২২৪ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। পটুয়াখালী আবহাওয়া অধিদপ্তরের ইনচার্জ মাহাবুবা খুশী বলেন, জেলায় আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

টানা ভারী বৃষ্টিতে রাঙ্গাবালীর অনেক এলাকার নিন্মাঞ্চলে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। খেতের আমন বীজতলা ডুবে গেছে। জলাবদ্ধার কারনে পানি বন্দী হয়ে পড়েছে নিন্মাঞ্চলের বাসিন্দারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাঙ্গাবালীর নিন্মাঞ্চল বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। আগুনমুখা নদীর পাড়ে ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া, নয়াভাঙ্গনী, সাজিরহাওলা, ফুলখালীসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ পানি বন্ধী হয়ে পড়েছে। ঘর থেকে বেরুতেই হাটু সমান পানি পাড়ি দিয়ে চলতে হচ্ছে তাদের।

নয়াভংগুনি গ্রামের বাসিন্দা জাকারিয়া জীবন জানায়, তাদের এলাকার সরকারি খালগুলো স্থানীয়রা বাঁধ দিয়ে পুকুর বানিয়ে মাছ চাষ করছেন। বাঁধের কারনে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। একটু বৃষ্টি হলেই পানিতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়। এই বাঁধগুলো যদি কেটে না দেওয়া হয়। তাহলে আমাদের ভোগান্তির কোনো শেষ নাই। বৃষ্টির পানিতে গত দুইদিন ধরে আমন বীজতলা ডুবে রয়েছে। খালের বাঁধ অপসারন না করলে বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে তাদের ফসল ফলাতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

একই এলাকার বাসিন্দারা মো. সেলিম বলেন, বৃষ্টির পানিতে আমাদের রান্নার ঘর তলিয়ে গেছে। আমার যে রান্না করে খাবো সেই সুযোগ আমাদের নাই। এখন বৃষ্টির কারণে পানি শুধু বাড়ছে কিন্তু কমে না কারণে আমাদের এলাকার নদীর পাড়ের স্লুইসগেট দিয়ে পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেই। আমরা এর একটা সমাধান চাই।

এছাড়াও রাঙ্গাবালীর সদর, চালিতাবুনিয়া, মৌডুবি, বড়বাইশদিয়া চরেমোন্তজ ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চলও বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। ভোগান্তির পাশাপাশি মৌসুমের আমন বীজতলা নিয়েও তারা শংকিত রয়েছেন।
রাঙ্গাবালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো, আসাদুজ্জামান জানান, বৃষ্টির জলাবদ্ধতায় তাদের কমপক্ষে ৫০০ হেক্টর আমন বীজতলা ডুবে রয়েছে। এলাকার খালগুলো অনেক আগে থেকেই বাঁধের কারণে আবার অনেক খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানির স্বাভাবিক চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়াও এখন জোয়ারের পানির প্রবল চাপ থাকায় পানি নামছে না। কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগ থেকেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খেত থেকে পানি সরাতে কৃষকদের নিয়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।

পড়ুন: ময়মনসিংহে পীরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

দেখুন: কেন যু/দ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে সব দেশ? তৃ/তী/য় বি/শ্ব/যু/দ্ধ কি নিশ্চিত?

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন