রাজবাড়ী সদর উপজেলা মিজানপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদী তীরবর্তী মুন্সী বেলায়েত হোসেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে স্কুলের ৩৮ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে এ লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করা হয়। স্কুল তিনটি হলোা- চর মৌকুড়ি, চর আমরাড়িয়া ও কাঠুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়।
লাইফ জ্যাকেট বিতরণে উপস্থিত ছিলেন- সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারিয়া হক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তবিবুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোকসেদ আলী, মিজানপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জনি খান, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অধীর কুমার বিশ্বাস, ফকির নূরুল ইসলাম, স্কুলের সহকারী শিক্ষক কিশোর কুমার গুহ, সপ্না রানী পোদ্দার, শারমীন আক্তার উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারিয়া হক বলেন, পদ্মা পাড়ি দিয়ে এমে এই স্কুলে বেশ কিছু শিক্ষার্থী পড়া শোনা করে। আমরা এটি জানতে পারি। আজ ওদের মাঝে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করা হলো, এতে ওদের নদী পথে চলাচলে অনেক উপকার হবে। নদীতে কোন দুর্ঘটনা ঘটলে এই লাইফ জ্যাকেট পড়া থাকলে ভেসে থাকতে পারবে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য আরো বলেন, তোমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে নিয়মিত পড়াশোনা করা, মা-বাবা,শিক্ষক, অভিবাবকদের কথা শোনা, নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসা, খেলাধুলা করা, খাবার খাওয়া, সঠিক সময়ে ঘুমানো, সকালে তারাতারি ঘুম থেকে উঠা এবং সবসময় ভালো কাজ করা। লাইফ জ্যাকেট বিতরণ শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বৃক্ষ রোপন করেন অতিথিগণ।
উল্লেখ্য-নদী তীরবর্তী এই মুন্সী বেলায়েত হোসেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী ১৩৯ জন। এর মধ্যে নদীর ওপারের ৩টি গ্রাম চর মৌকুড়ি,চর আমবাড়িয়া ও কাঠুরিয়া থেকে ৩৮ জন শিক্ষার্থী এই স্কুলে পড়াশোনা করে। তারা এই পদ্মা নদী পাড় হয়ে নিয়মিত স্কুলে আসেন। বর্ষার সময় নদীতে প্রচুর পানি ও স্রোত দেখা দেয়। এতে বাচ্চাদের নৌকাতে চলাচলে সমস্যা হয়। নদীর ওপার থেকে আসা সকল শিক্ষার্থীদের জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও মিজানপুর ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় তাদেরকে এ জ্যাকেট দেওয়া হয়ছে।
পড়ুন : রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ভিটে-বাগানের অর্ধ শতাধিক ফলবান চারাগাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা


