হেলাল মাহমুদ,রাজবাড়ী প্রতিনিধি:রাজবাড়ী টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মূল ভবনে পাঠদান কার্যক্রম সংক্রান্তএক অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে এই অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারিয়া হকের সভাপতিত্বে অভিভাবক সমাবেশ প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার।
সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অধীর কুমার বিশ্বাসের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তবিবুর রহমান ও সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নার্গিস জাফরী ও উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী বক্তব্য রাখেন।
অভিভাবক সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুন কক্স।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- জেলা তথ্য অফিসার রেখা ইসলাম, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফকির মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর হোসাইন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পঙ্কজ কুমার বিশ্বাসসহ টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী বলেন, আমি আমার টিম নিয়ে টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছি।সেখানে গিয়ে ভবনের স্ট্রাকচার, কলাম ও ভীমের তেমন কোন ক্ষতি হয়নি।তেমন কোন বড় ত্রুটি আমরা পাইনি। শুধুমাত্র তিনটি রুমের সমস্যা পাওয়া তে সেই রুমে ক্লাস নিতে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। বছরের পর বছর কোন বিল্ডিং মেরামত বা রং না করলে দূর থেকে মনে হবে বিল্ডিংটি অনেক পুরাতন এবং পরিত্যক্ত মনে হবে।এই বিল্ডিংটারও একই অবস্থা। দীর্ঘদিন মেরামত না করার কারণে অনেক পুরাতন মনে হচ্ছে। মেরামত হলে নতুনের মতই দেখা যেতো। এখন এই বিল্ডিং টি যেই স্ট্রাকচারে অবস্থান করছে সেই অবস্থায় ক্লাস করলে কোন অসুবিধা নেই।আমার দৃষ্টিতে বিল্ডিং এ কোন সমস্যা নেই।মেরামত করলেই চলবে। আর এই মেরামতের জন্য প্রায় ১৬ লক্ষ টাকার একটি ইস্টিমেট আমি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে দিয়েছি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার বলেন, মাইলস্টোন ট্রাজেডির পর টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা আমার কাছে একটি অভিযোগ নিয়ে আসে ওই ভবনটি পুরাতন ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় তাদের বাচ্চাদের সেখানে আর ক্লাস করাতে চাচ্ছেননা তারা।এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমার সাথে বিষয়টি আলোচনা করেছে।আমরা সিদ্ধান্ত নেই অস্থায়ী ভাবে নতুন ভবনে ক্লাস নেওয়ার।পরে স্থায়ী সমাধানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকৌশলী ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের একটি টিম বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছে।পরিদর্শনের করে আসার পর সেই কমিটির অবজারভেশন হচ্ছে যেখানে বাচ্চাদের ক্লাস হচ্ছে সেই বিল্ডিংটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করার মতন অবস্থায় নেই।এটা মেরামত করলেই ঠিক হয়ে যাবে। স্কুলের পরিত্যক্ত অংশ বাদ দিয়ে বাকি যেই অংশটুকু রয়েছে সেটা আমরা ব্যবহার করতে পারবো এমনটাই পরিদর্শন কমিটি ও উপজেলা প্রকৌশলী জানিয়েছেন।তাই পারস্পরিক একটা আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে আসবো। আমরা সবাই আলোচনা করে বাচ্চাদের জন্য সিদ্ধান্ত নেবো।এখানে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লাগবে।
সভাপতির বক্তব্য সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারিয়া হক বলেন, অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা উপজেলা পর্যায়ের একটি কমিটি স্কুলটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। স্কুলে মোট ১৩ টি শ্রেণী কক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে আমাদের অবজারভেশনে যেটা এসেছে সেটা হলো ৪ টি শ্রেনী কক্ষ ক্লাস করার উপযুক্ত নয়। তাহলে এই ৪ টি বাদ দিয়ে বাকি ৯ টিতে ক্লাস করানো যাবে, এতে কোন সমস্যা নেই।
পড়ুন: সুনামগঞ্জে যাদুকাটা নদীর ইজারা ভাগিয়ে নিতে ষড়যন্ত্রের শিকার রতন মিয়া
দেখুন: ফাইনালে কুমিল্লার সঙ্গী হতে সন্ধ্যায় মাঠে নামছে রংপুর-সিলেট
ইম/


