নরসিংদীর রায়পুরার চরাঞ্চল নিলক্ষায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক প্রবাসী নিহত হয়েছেন।
২৫ বছর বয়সি নিহত মামুন মিয়া ওই এলাকার আব্দুল আউয়ালের ছেলে। তিনি কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। ১৫ দিন আগে তিনি ছুটিতে দেশে ফিরেন। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নিলক্ষার দড়িগাঁও এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ হত্যাকাণ্ডের জেরে ওই এলাকায় বিকেল পর্যন্ত থমথমে বিজার করে। ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিক-পুলিশ ধাওয়া খেয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন।
বিষয়টি নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন চন্দ্র সরকার নিশ্চিক করে সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একজন নিহত হয়েছে শুনেছি, পুরোপুরি তথ্য সংগ্রহ করে বিস্তারিত জানানো হবে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই নিলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রয়াত শহিদ মেম্বার গ্রুপ ও ফেলু মিয়া গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। সোমবার সকালে স্থানীয় বাজারে ফেলু মিয়ার মেয়ের জামাতা কুয়েত ফেরত (নিহত মামুন মিয়ার) সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ান প্রতিপক্ষের লোকজন। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়ালে উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মামুনসহ কয়েকজন আহত হয়। পরে আহতদের মধ্যে তিনজনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মামুনের পিতা আউয়াল মিয়াকে (৫৫) এবং পরশ মিয়া (২৫) নামে আরও একজনকে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন চিকিৎসকরা।
পড়ুন- দিনাজপুরে বোচাগঞ্জ উপজেলার ২ সার ব্যবসায়ী কে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
দেখুন- ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মা/র/ধ/র |


