১৫/০১/২০২৬, ৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ
15 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

রায়পুরা সংসদীয় আসন রাখতে মহাসড়কে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

নরসিংদীর রায়পুরার ছয়টিইউনিয়নকে বেলাব ও শিবপুর উপজেলার সাথে যুক্ত করার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে পুরো রায়পুরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকালে উপজেলার মরজাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে কয়েক শত মানুষ মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেয়। বিক্ষোভকারীরা “রায়পুরা ভাঙতে দিব না, আসন ভাগ হতে দিব না”সহ নানান স্লোগানে মুখর করে তোলেন মহাসড়ক।

বক্তারা বলেন, যে ইউনিয়নগুলোকে শিবপুর ও বেলাবের সাথে যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলোর দূরত্ব রায়পুরার তুলনায় অনেক বেশি। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও কৃতী ব্যক্তিত্বের গৌরবময় রায়পুরাকে আর ভাঙতে দেওয়া হবে না। ১৯৮৩ সালে রায়পুরা ও মনোহরদী থেকে ইউনিয়ন কেটে বেলাব উপজেলা গঠন করা হয়েছিল। এবারও রায়পুরার ঐতিহাসিক অখণ্ডতা ভাঙার ষড়যন্ত্র চলছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তারা হুঁশিয়ারি দেন, রায়পুরা থেকে একটি ইউনিয়নও অন্যত্র নেওয়া হলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক, রেলপথ ও নৌপথ অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এ বিষয়ে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল। তিনি বলেন, “রায়পুরা থেকে একটি ইউনিয়নও এদিক-সেদিক করতে দেওয়া হবে না। আমরা এক ইঞ্চি মাটিও ছাড় দেব না।” সেই সাথে কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আউয়াল প্রধান, মরজাল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম শুক্কুর, ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ফারুক আহমেদ প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবীর, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি ফিরোজ আল মুজাহিদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. অহিদুজ্জামান প্রমুখ। দলীয় অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

জানা গেছে, সম্প্রতি নরসিংদী-৪ (বেলাব-মনোহরদী) আসনকে আলাদা সংসদীয় আসন ঘোষণার দাবি জানায় বেলাববাসী। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে বেলাবের এক বাসিন্দা ইলিয়াস উদ্দিন প্রস্তাব দেন, রায়পুরার মুছাপুর, মির্জাপুর, বেলাবো, রাধানগর, উত্তর বাখরনগর, ডৌকারচর ও মরজাল ইউনিয়নকে শিবপুরের সাথে যুক্ত করার। ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে রায়পুরার সর্বস্তরের মানুষ। জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও ছাত্রসমাজ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। গতকাল বুধবার (২৭ আগস্ট) উপজেলা সদর, মুছাপুরের দৌলতকান্দি রেলওয়ে স্টেশন, মহেষপুর ও মরজালসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে স্থানীয় জনগণ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রায়পুরার চরাঞ্চলে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র গুলি জব্দ, শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন