বিজ্ঞাপন

রাশিয়ার দুই ট্যাংকার উড়িয়ে দিল ইউক্রেন, ছিলেন ৪ বাংলাদেশি নাবিক

কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার দুটি ট্যাংকার জাহাজ ধ্বংস করেছে ইউক্রেনের নৌবাহিনী। নাভাল ড্রোন ব্যবহার করে ‘কাইরোস’ ও ‘ভিরাট’ নামের জাহাজ দুটিতে গতকাল হামলা চালানো হয় বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা।

বিজ্ঞাপন

কর্মকর্তা জানান, রাশিয়া জ্বালানি তেল বিক্রি করে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য অর্থসংস্থানের চেষ্টা করছে। তাই রাশিয়ার তেল ও জ্বালানি ব্যবসার অবকাঠামো দীর্ঘদিন ধরেই ইউক্রেনীয় বাহিনীর হামলার লক্ষ্যবস্তু। তারই ধারাবাহিকতায় নাভাল ড্রোন হামলায় কাইরোস ও ভিরাটকে ধ্বংস করা হয়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্রমতে, হামলার পর তুরস্কের কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ‘এমটি কায়রোস’ থেকে ২৫ নাবিককে উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি নাবিক রয়েছেন, এবং তারা সবাই সুস্থ আছেন।

জাহাজ দুটি তেল খালি অবস্থায় ছিল। তেল বোঝাই করতে কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী নভোরোসিয়েস্ক বন্দরের উদ্দেশে যাচ্ছিল কাইরোস ও ভিরাট। যাত্রাপথেই ড্রোন হামলার শিকার হয় তারা।

নাভাল ড্রোন হলো বিস্ফোরকবাহী চালকবিহীন নৌযান, যা সাগরে যুদ্ধজাহাজ বা ট্যাংকারে হামলায় ব্যবহার করা হয়।

ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাটি লিখিত বার্তায় আরও জানান, “হামলার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে—ড্রোনের আঘাতে জাহাজ দুটির গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। এগুলো আর চলাচলের উপযোগী নয়। এ হামলার মাধ্যমে রাশিয়ার তেল পরিবহন ও বাণিজ্যে বড় ধরনের আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে।”

কাইরোস ও ভিরাট—দুটি জাহাজই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত।

হামলার পর তুরস্কের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তুর্কি কোস্টগার্ড জাহাজ দুটির সব নাবিককে উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছে।

পড়ুন: সবুজ ঢাকার স্বপ্নদ্রষ্টা আনিসুল হকের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন