বিজ্ঞাপন

রাহুলের মৃত্যুর ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে কলকাতার শিল্পী সমাজ

টলিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় শোক কাটেনি। এমন মৃত্যু মেনে তিনে পারছে না রাহুলের সহকর্মীরা। তাই ক্ষোভে ফুঁসছে কলকাতার শিল্পী সমাজ। নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীরা।

রাহুলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন কলকাতার অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীরা। হিন্দুস্তান টাইমস থেকে জানা যায় রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে শিল্পীদের সংগঠনের জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, আবির চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক সেন, রেশমী সেন, ইশা সাহা, দেবলীনা দত্ত, অঞ্জনা বসু ও জীতু কামালসহ আরও অনেক শিল্পী।

শিল্পী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় জানান, নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মবিরতি চলবে। তার ভাষ্য, শিল্পীদের প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়। শুটিংয়ে গিয়ে নিরাপদে ফিরে আসা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। রাহুলের মৃত্যু সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

অভিনেতা-পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত কর্মবিরতির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। ঋতুপর্ণা বলেন, এটি কেবল প্রতিবাদ নয়, মানবিকতার লড়াই। সবাই মিলে নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার দাবি তুলেছেন এবং রাহুলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে চান।

একই সুর শোনা গেছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়-এর কণ্ঠেও। তিনি বলেন, এই ঘটনা শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতেই সবাই একসঙ্গে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ মার্চ তালসারিতে শুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রে তলিয়ে যান রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনার পর থেকেই টলিউডে শোকের পাশাপাশি ক্ষোভ বাড়তে থাকে। তারই পরিণতিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির পথে হাঁটলেন কলকাতার শিল্পী-কলাকুশলীরা।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রাহুলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে থানায় টলি তারকারা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন