কথাতেই রয়েছে ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’। আর মাছ-ভাতের প্রসঙ্গ উঠলে প্রথমেই সামনে আসে রুই মাছের কথা। এটি খুবই পরিচিত একটি মাছ। যা কম-বেশি প্রায় সবাই চেনেন এবং খেয়ে থাকেন। বাসা-বাড়িতে মাঝে মধ্যেই রান্না হয় মাছটি। খেতেও বেশ সুস্বাদু।
রুই মাছ নিয়মিত খাওয়া হলেও এর স্বাস্থ্যগুণের কথা অনেকেই হয়তো জানেন না। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে ভূমিকা রাখে এই মাছ। এতে থাকা ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকায় যাদের স্বাস্থ্য বেশি, তারাও নিয়মিত খেতে পারেন। আমেরিকার স্কুল অব নিউট্রিশনের জার্নালের বরাত ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রুই মাছ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা কমাতেও সহায়তা করে। তাহলে এ মাছের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-
কী আছে রুই মাছে:
রুই মাছে ভিটামিন এ, ডি, ই রয়েছে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। রুই মাছে কোলিন নামের একটি পদার্থ থাকে। যা স্নায়ুতন্ত্র, ফ্যাটের বিপাক ক্রিয়া এবং পরিবহনে সহায়তা করে।
রুই কি হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমায়:
রুই মাছ হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমায় কিনা―এ নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ মাছে ওমেগা থ্রি থাকায় তা রক্তের অণুচক্রিকাকে জমাট বাঁধা থেকে বিরত রাখে। এ কারণে রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
মাছটির তেলে ওমেগা থ্রি নামক ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। যা রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল এলডিএল ও ভিএলডিএল হ্রাস করে এবং উপকারী কোলেস্টেরল এইচডিএলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এতে হার্টে চর্বি জমতে পারে না। এ জন্য নিয়মিত রুই মাছ খাওয়া হলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমার সম্ভাবনা থাকে।
কী পরিমাণ খাবেন:
রুই মাছ উপকারী হলেও ঠিক কী পরিমাণ খাওয়া উপযুক্ত, সেটিও জানা জরুরি। তবে বিশেষজ্ঞরা ভারসাম্য বজায় রেখে পরিমিত পরিমাণ খাওয়ার কথা বলে থাকেন। দৈনিক একটি বড় ধরনের টুকরা একজন মানুষের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু বেশি খাওয়া ঠিক নয়।
পড়ুন:রোমান্টিক কমেডি সিনেমায় ব্ল্যাকপিংকের লিসা
দেখুন:তুষারঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ জনের মৃ-ত্যু, ২৫ অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা |
ইম/


