২৫/০২/২০২৬, ২২:০৪ অপরাহ্ণ
25.2 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ২২:০৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

রূপগঞ্জে বিএনপি’র প্রার্থী দিপু ভুঁইয়ার নির্বাচনী গণমিছিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসব ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে ‎। প্রার্থীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

সোমবার বিকেলে রূপগঞ্জের ভুলতা গাউছিয়া এলাকার ঢাকা সিলেট মহাসড়কে বিএনপি মনোনীত  প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপুর পক্ষে নির্বাচনী পথসভা ও গনমিছিলে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে ।

পথসভা ঘিরে দুপুরের পর থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ মিছিল নিয়ে যোগ দেন কর্মসূচিতে। দিপু ভূঁইয়াকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্লোগান, ব্যানার-ফেস্টুনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

মিছিলে নেতৃত্ব দেন, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু। এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মনিরুজ্জামান।

উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভার ওয়ার্ড এবং পাড়া মহল্লা থেকে মিছিল নিয়ে শত শত নারী পুরুষ এবং দলীয় নেতাকর্মী পথসভায়স্থলে এসে উপস্থিত হন। এক পর্যায়ে পথসভাটি জনসভায় রুপ নেয়।

বিকেলে গণমিছিল পূর্বক ভুলতা দিঘীরপাড় বালুর মাঠে আয়োজিত পথসভায় বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সহ-সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, আব্দুল কাইয়ুম প্রধান, আশরাফুল হক রিপন, আলমগীর হোসেন টিটু, এডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমনসহ আরো অনেকে।

‎এ সময় মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়া বলেন, ‎আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে আমি গর্বিত। আমার বাবা দাদা আপনাদের সাথে মিলে মিশে ছিলেন। আমিও আপনাদের সাথে মিলেমিশে থাকতে চাই। “আপনাদের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে রূপগঞ্জের উন্নয়ন ও রূপগঞ্জবাসীর মুখে হাসি ফোটানোই হবে আমার প্রথম অঙ্গীকার।”

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : প্রচারণার শেষ দিনে ধানের শীষের প্রার্থীর চমক!

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন