ভারতে তুমুল আলোচিত ‘ধুরন্ধর’ ও এর সিক্যুয়েল ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ চলচ্চিত্র নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের লোকসভা সদস্য ও অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (এআইএমআইএম) সভাপতি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। একটি সম্মেলনে তিনি সিনেমাটিকে ‘বাকওয়াস’ বা আবর্জনা আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এটি সহিংসতাকে উৎসাহিত করে। প্রতিবেদন হিন্দুস্তান টাইমসের।
টাইমস নাউ আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে ধুরন্ধর সিরিজ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ওয়াইসি বলেন, ‘এটা কি কোনো ছবি? তিন ঘণ্টার আবর্জনা। আমি তিন ঘণ্টা সময় নিয়ে সিনেমা দেখার মতো সময় পাই না। বরং মানুষ এক ঘণ্টা আমার কথা শুনুক সেটাই চাই। ছবিতে গালাগালি আর সহিংসতা ছাড়া আর কী আছে? শেষে এসে মনে হয়, মুসলিমদের গালি দেওয়া উচিত কি না। এগুলো দেখার সময় কার আছে?’
সঞ্চালক যখন বলেন, ‘ধুরন্ধর ২’ বিশ্বজুড়ে প্রশংসা পাচ্ছে, তখন জবাবে ওয়াইসি বলেন, ‘হায়দরাবাদে আমরা বলি, এসব বিষয় হৃদয়ে নিও না, কবরেই নিয়ে যাও। তাই আমরা বিষয়টি সেখানেই ছেড়ে দিই।’
‘ধুরন্ধর’ সিরিজের নির্মাতা আদিত্য ধর। সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন রণবীর সিং। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন রামান মাধবন, সারা অর্জুন, অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্তসহ অনেকে।
গত বছরের ৫ ডিসেম্বর মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ধুরন্ধর’ ভারতে প্রায় ৮৪০ কোটি রুপি এবং বিশ্বব্যাপী ১৩০০ কোটির বেশি আয় করে। চলতি বছরের ১৯ মার্চ মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর ২’ ইতোমধ্যে ভারতে ৭১৫ কোটির বেশি এবং বিশ্বব্যাপী ১১২৮ কোটির বেশি আয় করে ২০২৬ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রে পরিণত হয়েছে।
চলচ্চিত্রটির কাহিনিতে ভারতীয় গুপ্তচর জাসকিরাত সিং রাঙ্গি ওরফে হামজা আলী মাজরির (রণবীর সিং) গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যাকে একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ধ্বংসের মিশনে পাকিস্তানের লিয়ারিতে পাঠানো হয়। বাস্তব জীবনের বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত এই সিরিজটি দক্ষিণ ভারতীয় ভাষাসহ হিন্দিতে মুক্তি পেয়েছে এবং আয়ের দিক থেকে প্রথম কিস্তিকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে।
পড়ুন:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কমিটির প্রথম বৈঠক আজ
দেখুন:কলসি ভরা স্বর্ণ দেয়ার প্রলোভনে প্রতারণা, ৩ প্রতারক গ্রেপ্তার
ইমি/


