বিজ্ঞাপন

রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে উয়েফার কাছে বার্সার অভিযোগ

চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে হারের হতাশা কাটতে না কাটতেই নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছে বার্সেলোনা। এবার মাঠের বাইরের লড়াইয়ে নেমে কাতালান ক্লাবটি ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছে। তাদের দাবি, ম্যাচে ভিএআরের গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত ফলাফলে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে।

বিজ্ঞাপন

ন্যু ক্যাম্পে গত বুধবারের ম্যাচে ২-০ গোলে হারে বার্সা। প্রথমার্ধের ৪৪ মিনিটে পাউ কুবারসি লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় স্বাগতিকরা। তবে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ৫৪ মিনিটের একটি ঘটনা, যখন ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল বার্সেলোনা।

সে সময় আতলেতিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর গোলকিক থেকে বল পেয়ে ডিফেন্ডার মার্ক পুবিল ডি-বক্সের ভেতর হাতে বল থামান। বার্সার খেলোয়াড়রা জোরালোভাবে পেনাল্টির দাবি তুললেও রেফারি ইস্তভান কোভাকস তা নাকচ করেন। আরও বিস্ময়করভাবে, ভিএআর থেকেও কোনো হস্তক্ষেপ আসেনি।

নিয়ম অনুযায়ী, পুবিল আগে থেকেই একটি হলুদ কার্ডে থাকায় এই ঘটনাটি পেনাল্টির পাশাপাশি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড হয়ে লাল কার্ডে পরিণত হওয়ার কথা ছিল বলে দাবি বার্সার।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে বার্সেলোনা জানায়, ‘রেফারির সিদ্ধান্ত বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না এবং এটি ম্যাচের গতিপথ ও ফলাফলকে প্রভাবিত করেছে। আমরা ঘটনার পূর্ণ তদন্ত, রেফারিদের কথোপকথনের অডিও প্রকাশ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’   

ম্যাচ শেষে বার্সা কোচ হানসি ফ্লিকও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আজ ভিএআর কেবল আতলেতিকোর পক্ষেই কাজ করেছে। গোলকিকের পর ডিফেন্ডার হাতে বল থামিয়ে আবার খেলা শুরু করবে—এটা স্পষ্ট পেনাল্টি ও লাল কার্ডের পরিস্থিতি। কেন সেখানে ভিএআর হস্তক্ষেপ করেনি, তা বোধগম্য নয়।’

ম্যাচে প্রথমার্ধে জুলিয়ান আলভারেজের ফ্রি-কিক এবং ৭০ মিনিটে আলেকজান্ডার সরলথের গোলে ২০০৬ সালের পর ন্যু ক্যাম্পে প্রথম জয়ের স্বাদ পায় আতলেতিকো মাদ্রিদ।

এদিকে বার্সেলোনার এই আনুষ্ঠানিক অভিযোগের পর বিষয়টি এখন মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন দেখার বিষয়, উয়েফা এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ নেয়।

পড়ুন- সংসদে নারায়ণগঞ্জ-বরিশাল-ময়মনসিংহ-কুমিল্লা ও রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল পাস

দেখুন- একটি ফোঁটা জ্বালানির জন্য আর কতো দীর্ঘ অপেক্ষা?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন