গত দেড় বছরে কক্সবাজারের, উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে নতুন করে অন্তত সোয়া এক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। এসব ক্যাম্পে এখন তীব্র স্থানসংকট দেখা দিয়েছে।
রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ও চরম খাদ্যসংকটের কারণে, দিন দিন বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ আবারও বাড়ছে। গত দেড় বছরে নতুন করে এক লাখ ১৮ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে ক্যাম্পগুলোতে। নতুন আসা রোহিঙ্গাদের ঠাঁই হচ্ছে না, জায়গা সংকটে মানবেতর দিন কাটছে তাদের।
নতুন আসা রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, আরাকান আর্মি নিপীড়ন, অপহরণ, হত্যার হাত থেকে পালিয়ে তারা বাংলাদেশে এসেছেন। বুথেডং এলাকায় যুবকদের দিয়ে জোর করে শ্রম কাজ করানো হচ্ছে। পাশাপাশি চলছে খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট।
রোহিঙ্গা নেতারা বলছেন, বাংলাদেশে পালিয়ে আসার সময় মাথাপিছু পাঁচ হাজার কিয়াত করে ঘুষ দিতে হচ্ছে। আরাকান আর্মির আচরণ না বদলালে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও অনুপ্রবেশ বন্ধ করা কঠিন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, এনজিও-আইএনজিওর স্বার্থের কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বন্ধ রয়েছে, যা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বড় বাধা।
খাদ্যসহায়তা দেওয়া হলেও, স্থান সংকটে তাদের মানবেতর দিন কাটছে তাদের। এ পরিস্থিতিতে, রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন ও প্রত্যাবাসন বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বয় প্রয়োজন।
পড়ুন: রাখাইনের নতুন প্রশাসনে রোহিঙ্গাদের অন্তর্ভুক্তি চায় বাংলাদেশ
দেখুন: টেকনাফে রোহিঙ্গাদের স*ন্ত্রাসে চরম আতঙ্কে স্থানীয়রা
ইম/


