ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬-এর প্রচারণার শেষ দিনে হবিগঞ্জের লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে আলাদা আলাদা গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই উপজেলায় আয়োজিত কর্মসূচিতে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন। উৎসবমুখর পরিবেশে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
সকালে লাখাই উপজেলায় দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে বিশাল গণমিছিল বের হয়। পরে বিকেলে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় একই প্রতীকের পক্ষে আরেকটি গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলগুলোতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
শায়েস্তাগঞ্জের কর্মসূচিতে অধ্যক্ষ কাজী মহসিন আহমদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সদ্য জামায়াতে যোগদানকৃত চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমানসহ জেলা ও উপজেলা জামায়াতের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
গণমিছিল শেষে আয়োজিত পথসভায় অধ্যক্ষ কাজী মহসিন আহমদ বলেন, “হবিগঞ্জ-৩ আসন দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার। আমরা এই অবস্থার আমল পরিবর্তন চাই। ইনসাফভিত্তিক রাজনীতির মাধ্যমে এই জনপদকে একটি শান্তিপূর্ণ, আধুনিক ও সমৃদ্ধ এলাকায় রূপান্তর করা হবে।”
তিনি বলেন, “নদী দূষণ, যানজট, জলাবদ্ধতা ও বেকারত্ব আজ আমাদের বড় সমস্যা। দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর ও বাস্তবমুখী উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
পথসভায় তিনি তার ঘোষিত কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে, সুতাং নদীকে দূষণমুক্ত করে কৃষি ও মৎস্যসম্পদের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা, লাখাই হাওর অঞ্চলে কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, খোয়াই নদীকে দখলমুক্ত করা, শিল্পাঞ্চলে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
সভা থেকে তিনি হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ ও লাখাইবাসীর প্রতি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে ইনসাফ ও সুশাসনের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

