লালমনিরহাটের তিনটি সংসদীয় আসনেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে ভোট গণনা শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার তাঁর কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন এবং বিজয়ী তিন প্রার্থীর হাতে ফলাফলের কপি তুলে দেন।
লালমনিরহাট-৩ (সদর) বিপুল ব্যবধানে দুলুর জয় জেলা সদরের ৯৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু তাহের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ২৪৪ ভোট। দুলু তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৮৩ হাজার ৪১৩ ভোট বেশি পেয়ে এই জয় নিশ্চিত করেন।
এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৭ হাজার ৯৭০ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৬২৬টি এবং বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৯৩৬টি ভোট। সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের হার ৬৭.০৭ শতাংশ।
অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিনুল ইসলাম (হাতপাখা) ৩,২৮৩ ভোট, জাতীয় পার্টির জাহিদ হাসান লিমন (লাঙ্গল) ২,১৫০ ভোট, কমিউনিস্ট পার্টির মধুসূদন রায় মধু (কাস্তে) ৮৬৯ ভোট এবং গণসংহতি আন্দোলনের দীপক কুমার রায় (মাথাল) ৪২৯ ভোট পেয়েছেন।
লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ ও আদিতমারী) হাড্ডাহাড্ডি লড়াই কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ৬ হাজার ৬৯৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফিরোজ হায়দার লাভলু ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ২৫২ ভোট।
১৫৬টি কেন্দ্র বিশিষ্ট এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৬৫ জন। এখানে ভোট পড়ার হার ৬৪.৫৩ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য অন্য প্রার্থীদের মধ্যে জনতার দলের শামিম কামাল (কলম) ২০,১২৭ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহফুজুর রহমান (হাতপাখা) ৬,৯৩৯ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির এলাহান উদ্দিন (লাঙ্গল) ৮১০ ভোট, কমিউনিস্ট পার্টির নিমাই চন্দ্র রায় (কাস্তে) ১,০৮৯ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ আলী (মোটরসাইকেল) ৩,৪৯৯ ভোট পান।
লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা) জয়ের মালা হাসানের গলায় পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা নিয়ে গঠিত এই আসনে ৯ হাজার ১১৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন হাসান রাজীব প্রধান। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৭২ ভোট।
১৩৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায়, এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩ হাজার ৫৬১ জন। এখানে ভোট পড়ার হার জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ৭২.১৬ শতাংশ।
এই আসনে জাতীয় পার্টির হেভিওয়েট নেতা মসিউর রহমান রাঙ্গা (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫,১৫৮ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী শিহাব আহমেদ (ঘোড়া) ৭,৯৫৯ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ ফয়জুল করিম শাহরিয়ার (হাতপাখা) ২,২৪২ ভোট, স্বতন্ত্র রেজাউল করিম সরকার (মোটরসাইকেল) ৮০৪ ভোট, জাসদের হাবিব মোঃ ফারুক (মোটরগাড়ি) ২২৬ ভোট, স্বতন্ত্র আবু সামা মোঃ রেদওয়ানুল হক (তালা) ১৯১ ভোট এবং লেবার পার্টির শুভ সরকার (আনারস) ১৪৩ ভোট পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে ভোট গণনা শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার তাঁর কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন এবং বিজয়ী তিন প্রার্থীর হাতে ফলাফলের কপি তুলে দেন।
লালমনিরহাট-৩ (সদর) বিপুল ব্যবধানে দুলুর জয় জেলা সদরের ৯৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু তাহের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ২৪৪ ভোট। দুলু তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৮৩ হাজার ৪১৩ ভোট বেশি পেয়ে এই জয় নিশ্চিত করেন।
এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৭ হাজার ৯৭০ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৬২৬টি এবং বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৯৩৬টি ভোট। সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের হার ৬৭.০৭ শতাংশ।
অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিনুল ইসলাম (হাতপাখা) ৩,২৮৩ ভোট, জাতীয় পার্টির জাহিদ হাসান লিমন (লাঙ্গল) ২,১৫০ ভোট, কমিউনিস্ট পার্টির মধুসূদন রায় মধু (কাস্তে) ৮৬৯ ভোট এবং গণসংহতি আন্দোলনের দীপক কুমার রায় (মাথাল) ৪২৯ ভোট পেয়েছেন।
লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ ও আদিতমারী) হাড্ডাহাড্ডি লড়াই কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ৬ হাজার ৬৯৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফিরোজ হায়দার লাভলু ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ২৫২ ভোট।
১৫৬টি কেন্দ্র বিশিষ্ট এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৬৫ জন। এখানে ভোট পড়ার হার ৬৪.৫৩ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য অন্য প্রার্থীদের মধ্যে জনতার দলের শামিম কামাল (কলম) ২০,১২৭ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহফুজুর রহমান (হাতপাখা) ৬,৯৩৯ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির এলাহান উদ্দিন (লাঙ্গল) ৮১০ ভোট, কমিউনিস্ট পার্টির নিমাই চন্দ্র রায় (কাস্তে) ১,০৮৯ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ আলী (মোটরসাইকেল) ৩,৪৯৯ ভোট পান।
লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা) জয়ের মালা হাসানের গলায় পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা নিয়ে গঠিত এই আসনে ৯ হাজার ১১৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন হাসান রাজীব প্রধান। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৭২ ভোট।
১৩৮টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায়, এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩ হাজার ৫৬১ জন। এখানে ভোট পড়ার হার জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ৭২.১৬ শতাংশ।
এই আসনে জাতীয় পার্টির হেভিওয়েট নেতা মসিউর রহমান রাঙ্গা (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫,১৫৮ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী শিহাব আহমেদ (ঘোড়া) ৭,৯৫৯ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ ফয়জুল করিম শাহরিয়ার (হাতপাখা) ২,২৪২ ভোট, স্বতন্ত্র রেজাউল করিম সরকার (মোটরসাইকেল) ৮০৪ ভোট, জাসদের হাবিব মোঃ ফারুক (মোটরগাড়ি) ২২৬ ভোট, স্বতন্ত্র আবু সামা মোঃ রেদওয়ানুল হক (তালা) ১৯১ ভোট এবং লেবার পার্টির শুভ সরকার (আনারস) ১৪৩ ভোট পেয়েছেন।


