১৫/০১/২০২৬, ১৫:৩৬ অপরাহ্ণ
25 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ১৫:৩৬ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

লালমনিরহাটে গলাকাটা হাসিনা হত্যা মামলার মূল আসামি ছেলে মিঠু গ্রেফতার

লালমনিরহাট সদর উপজেলার চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস গলাকাটা হাসিনা হত্যা মামলার মূল আসামি ছেলে মিঠু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৩। শনিবার (১৮ মে) বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে আদিতমারী উপজেলার সাপটিবাড়ি ডিগ্রি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১৯ মে) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) র‍্যাব -১৩ অধিনায়কের পক্ষে বিপ্লব কুমার গোস্বামী এই প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। র‍্যাব-১৩ এর সিপিএসসি ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতার মিঠু মিয়া (২৫) আদিতমারী উপজেলার চরকুটিবাড়ি গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে র‍্যাব নিয়মিতভাবে হত্যা, ধর্ষণসহ সব ধরনের জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-১৩ এর সদস্যরা ছায়া তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনে সক্ষম হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মার্চ দুপুরে সদর উপজেলার হাড়িভাঙা ইউনিয়নের এক ভুট্টা ক্ষেতে অজ্ঞাত এক নারীর মস্তকবিহীন লাশ দেখতে পান স্থানীয় এক কৃষক। বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। ঘটনার পরদিন শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর-০৯, জিআর নং-১১৬, তারিখ-০৫/০৩/২০২৫, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০)।

মরদেহ উদ্ধারের পর গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রিন্ট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে র‍্যাব-১৩ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান সনাক্ত করে।

র‍্যাব সূত্রে আরও জানা যায়, ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে পুলিশ মিঠুর বাবা আশরাফুল ইসলামকে গ্রেফতার করলেও তদন্তে আসল তথ্য বেরিয়ে আসে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রকৃত আসামি হিসেবে মিঠুর নাম উঠে আসে।

গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লালমনিরহাট সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পড়ুন: ঢাবির মেধাবী শিক্ষার্থী সাম্য হত্যাকান্ড, নেত্রকোনা ছাত্রদলের প্রতিবাদ সমাবেশ

দেখুন: বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় নেত্রকোণায় আমন আবাদ ব্যাহত | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন