আওয়ামী লীগের নেতাদের দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি ভোল পাল্টিয়ে চলছেই। আত্মগোপনে থেকেও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন তিতু ও তার ভাইদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অসহায় মার্কেটের প্রকৃত মালিক। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও মিলেনি প্রতিকার।
ক্ষমতার পালাবদলের পরেও আওয়ামী লীগের নেতাদের দখল আর চাঁদাবাজির কোন পরিবর্তন হয়নি। বহাল তবিয়াতে নিজেদের দখলদারিত্ব ধরে রেখেছে তারা। কখনো কখনো মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের।
মিরপুর ১ নম্বরে ৬৬ কাঠা জায়গার উপর নির্মীতি তিন তলার একটি মার্কেট দীর্ঘ দিন ধরে দখলে রাখার অভিযোগ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন তিতু ও তার ভাইদের নামে।
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর ১ নম্বরের এই জমি ১৯৮৭ সালে বরাদ্দ দেয়া হয় ১৪ জনকে। পরে জেলা প্রশাসন থেকে অধিগ্রহণ করে ১৯৯০ সালে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ১৪টি প্লট তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ১৪ জনের প্লটের পাওয়ার নিয়ে নেন শমশের আলী ও তার ভাই সৈয়দ আলী। এরপর আর নিজেদের জমিতে যেতে পারেননি তাদের পরিবারের কেউই।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্বাধীন বাংলা সুপার মার্কেটের ৩শ’ দোকান পুরোপুরি দখলে নেন তিতু ও তার ভাই লিটু ও তাদের অন্যান্য সহযোগীরা। দেড়যুগের বেশি সময় জোরপূর্বক প্রতি মাসে ভাড়া তুলেছেন প্রায় দেড় কোটি টাকা।
মার্কেটের ভাড়াটিয়ারা জানান, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আত্মগোপনে চলে গেলেও আনোয়ার হোসেন লিটুর সন্ত্রাসী বাহিনী ভাড়া দিতে চাপ দিচ্ছে।
এসব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে জমির মালিক ও জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েও কোন কাজ হয়নি। তাই অন্তবর্তী সরকারের কাছে নিজেদের জমি ফেরতের দাবি ভুক্তভোগীদের।

এনএ/


