যুদ্ধবিরতির যেকোনো চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করতেই হবে, অন্যথায় যুদ্ধ চলবে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘছি।
বুধবার (৮ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি পথের মধ্যে একটি বেছে নিতে হবে—যুদ্ধবিরতি অথবা ইসরায়েলের মাধ্যমে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট, তাই যুদ্ধবিরতি এবং একই সঙ্গে যুদ্ধ চালানো—দুটি একসঙ্গে সম্ভব নয়।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বের নজর এখন লেবাননের দিকে। চুক্তি অমান্য করে ইসরায়েলের হামলায় দুই শতাধিক মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনা বিশ্ব দেখছে। এখন যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে কি না, সেদিকেও সবার দৃষ্টি।
আরাঘছির পোস্টে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের একটি পোস্টের স্ক্রিনশটও যুক্ত করা হয়। সেখানে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) শরিফ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের মিত্রদের নিয়ে লেবাননসহ সর্বত্র তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত ছিল না এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে জানানো হয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে এখন পর্যন্ত ২৫৪ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১২০০ জন আহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে লেবাননকে যুদ্ধবিরতির বাইরে রাখার দাবি নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছিল, ইসরায়েল লেবাননে হামলা বন্ধ না করলে তারা পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। সংস্থাটি জানায়, লেবাননের বিরুদ্ধে আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ না হলে তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবে এবং যথাযথ জবাব দেবে।
পড়ুন: শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে
আর/


