শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে তার ডান হাত ভেঙে গেছে বলে দাবি স্বজনদের।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুবদল নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার ভোজেশ্বর বাজারের পূর্ব পাশে ‘তিন দোকান’ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান নড়িয়া থানার ওসি মো. বাহার মিয়া।
আহত নুরুল আমিন রতন উপজেলার বিঝারী উপশী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি শরীয়তপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
নুরুল আমিন রতন বলেন, “স্কুলের উন্নয়ন কাজ তদারকি শেষে অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে নড়িয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান নিক্সন খান ও ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান সিকদারের নেতৃত্বে ৭ থেকে ৮ জন আমার পথরোধ করেন।
“স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তারা লাঠিসোঁটা দিয়ে আমাকে মারধর করেন। এতে আমার ডান হাত ভেঙে গেছে।”
নুরুল আমিন রতনের ছেলে হিমেলের অভিযোগ, “আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয়েছে। লাঠির আঘাতে তার হাতের হাড় ভেঙে গেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।”
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নড়িয়া উপজেলা যুবদলের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান নিক্সন খান এবং ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান সিকদার। বলেন, ঘটনার সময় তারা উপজেলায় ছিলেন না। সিডিউল সংগ্রহের কাজে বাইরে ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহম্মেদ রয়েল মাঝি বলেন, “ঘটনার কথা শুনেছি। তদন্ত করে দেখা হবে। তবে দলের কেউ জড়িত থাকলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পড়ুন- দখলদার-চাঁদাবাজদের কোনো ছাড় নয়, আইন সবার জন্য সমান : এমপি লুনা
দেখুন- পিলখানায় শহীদদের সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রীর


