রাজধানীতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে পৃথকভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ ও ছাত্র শক্তি।
শুক্রবার ১৯ ডিসেম্বর বাদ জুম্মা সুনামগঞ্জ শহরের আলফাত স্কয়ার (ট্রাফিক পয়েন্ট) এলাকায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষার্থীসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখেন জুলাই বিপ্লবের অন্যতম যোদ্ধা ও সাধারণ সম্পাদক শেখ এমদাদুল হক, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক উসমান গণী, ফয়সল আহমেদ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন আলম।
বক্তারা শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে দেশপ্রেমিক ও সাহসী কণ্ঠস্বরগুলোকে স্তব্ধ করে দিতেই এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছে। তারা অবিলম্বে খুনীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এর কিছুক্ষণ পরেই শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের উদ্যোগে ট্রাফিক পয়েন্টে এক পৃথক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্র জমিয়তের নেতৃবৃন্দ তোহা হোসাইন, হাফিজ হেলাল আহমেদ, ইয়াহিয়া ও রিয়াজ উদ্দিন।
এছাড়াও সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নেতা আব্দুল্লাহ গাজী নগরী, পৌর জমিয়ত নেতা আসাদ আহমেদ এবং সদর উপজেলা যুব জমিয়ত নেতা নাছির উজ্জামান।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীরা বর্তমানে ভারতে পালিয়ে রয়েছে। তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকরের দাবি জানান তারা। পাশাপাশি ভারতের আধিপত্যবাদী তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং ভারতীয় সব ধরনের পণ্য বর্জনের আহ্বান জানান বক্তারা।
তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে ছাত্রসমাজ রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।
পড়ুন- ওসমান হাদির মৃত্যুতে চুয়াডাঙ্গায় সর্বদলীয় বিক্ষোভ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি
দেখুন- কারওয়ান বাজারে ব্যারিকেড সরিয়ে নেয়ায় স্বাভাবিক হচ্ছে যান চলাচল


