20 C
Dhaka
০৫/০৩/২০২৬, ৮:৪১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

শাবির শিক্ষককে মারধর, প্রতিবাদে সিলেট–সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পেট্রোলিয়ম ও খনি প্রকৌশল (পিএমই) বিভাগের অধ্যাপক শফিকুল ইসলামকে মারধরের প্রতিবাদে সিলেট সুনামগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

রোববার (১৮ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন আখালিয়া এলাকায় মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষককে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সিলেট–সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, তিনি তার প্রাইভেট কার চালিয়ে নগরীর পাঠানটুলা এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন। এর মধ্যে আখালিয়া এলাকার মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের কাছে এক ব্যক্তি মোটরসাইকেল নিয়ে তার গাড়ির সামনে চলে আসেন। একপর্যায়ে তার গাড়ির সঙ্গে ওই ব্যক্তির মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। তখন ওই ব্যক্তি মোটরসাইকেল থেকে নেমে তাকে মারধর শুরু করেন।

অবরোধকারী শিক্ষার্থীরা জানান, এ ঘটনা জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাত সাড়ে ৯টার দিকে মাউন্ট এডোরা হাসপাতালের সামনে সিলেট–সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে রাখেন। সেখানে আধা ঘণ্টা বিক্ষোভ করে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের দিকে চলে যান। সেখানে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন। এতে সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষকের গায়ে হাত তোলা ওই ব্যক্তিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে বলে দাবি জানাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। তাকে শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

এ বিষয়ে সিলেটের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, পুলিশ এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আনা হয়েছে। শিক্ষককে মারধর করা ব্যক্তিকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সিলেটের জৈন্তাপুরে কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন