১৫/০১/২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

শার্শায় বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবোরধ

যশোর-১ আসনে বিএনপির প্রাথমিকভাবে মনোনীত প্রার্থী মফিকুল ইসলামকে তৃপ্তিকে পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারন সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন ও সাবেক সভাপতি খায়রুজ্জামান মধু পন্থী নেতা-কর্মীরা।

শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক অবরোধ করে কয়েক হাজার নেতাকর্মী কাফনের কাপড় পরিধান করে অবস্থান নেন। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। এতে করে যশোর বেনাপোল মহাসড়ক যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন দলের জন্য ত্যাগ স্বীকারকারী ও মাঠের পরীক্ষিত নেতৃত্বকে উপেক্ষা করে হঠাৎ করে একজন ‘সংস্কারপন্থী নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত প্রার্থী পরিবর্তন না করা হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।

উপজেলা জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াসি উদ্দীন বলেন, “বিএনপির মহাসচিব বলেছেন প্রয়োজনে প্রার্থী পরিবর্তন করা হবে। আমরা সে আশায় মাঠে নেমেছি। যদি এই প্রার্থী বাতিল না করা হয়, তবে বিএনপি এই আসনে ঠকে যাবে।”

মহিবুল নামে এক নেতা বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল হাসান জহির ও সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন আমাদের পাশে ছিলেন। তাদের দুজনের একজন ছাড়া এই আসনে কেউ বিজয়ী হতে পারবেন না। আমরা আজীবন ধানের শীষের পক্ষে আছি, থাকবো।”

যুবদল নেতা মনিরুজ্জামান বলেন, “আমরা বাড়িছাড়া হয়েছি, কিন্তু উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল হাসান জহির ও সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটনকে ছাড়িনি।দলের দুঃসময়ে যে কোনদিন মাঠে ছিলো না তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলো এটা আমরা মানি না। যদি তিনি দলের দূর্দিনে থাকতেন, তাহলে মানতাম। কিন্তু এই অতিথি পাখিকে আমরা মানি না।”

বিক্ষোভ শেষে অবরোধকারীরা মহাসড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বেনাপোলের হাকড় নদীর পাড় থেকে এক নবজাতক শিশুকে উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন