১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশবঞ্চিত ১৬ হাজার ২১৩ প্রার্থীকে দ্রুত নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান নিয়োগবঞ্চিতরা।
তারা বলেন, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শূন্যপদ যুক্ত করে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৬ হাজার ২১৩ জন সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীর আবেদন নিশ্চিত করতে হবে। ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তদের রোল নম্বর ব্লক করে কেবল বঞ্চিতদের জন্য আলাদা আবেদনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থী নিপা আক্তার বলেন, শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব এবং এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে ইতিবাচক বার্তা পাওয়া সত্ত্বেও বাস্তবায়নে বিলম্ব হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
গত ১২ অক্টোবর শাহবাগে মহাসমাবেশ, বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের পর রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদের মধ্যস্থতায় সচিবালয়ের আলোচনাতেও তারা সমাধান পাননি। পরদিন ‘মার্চ টু এনটিআরসিএ’ কর্মসূচি চলাকালে প্রার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে পুনরায় বৈঠকে অংশ নেয়। রমনা ডিসির উপস্থিতিতে এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শূন্যপদ সংযোজন ও সুপারিশবঞ্চিতদের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আশ্বাস দেয়।
অভিযোগ করে নিপা বলেন, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিসেম্বর পর্যন্ত শূন্যপদ সংগ্রহ না করে এনটিআরসিএ বরং ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শূন্যপদের চাহিদা চেয়ে ১৮ নভেম্বর চাহিদাপত্র প্রকাশ করে, যা তাদের একটি বড় অংশকে সুপারিশের আওতা থেকে বাদ দিতে পারে। এ ছাড়া ২ ডিসেম্বর এনটিআরসিএ ভবনে শান্তিপূর্ণ অবস্থানকালে চেয়ারম্যানের অসহযোগিতা ও পরে পুলিশের বলপ্রয়োগে শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।
প্রার্থীদের দাবি, পর্যাপ্ত শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও এনটিআরসিএর নামমাত্র ও বৈষম্যমূলক বিজ্ঞপ্তি গ্রহণযোগ্য নয়। তারা এনটিআরসিএ সংস্কারেরও দাবি জানান, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো প্রার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হন।
পড়ুন: প্রথম ধাপে ১২৫ জনের নাম ঘোষণা করলো এনসিপি
দেখুন: ওয়াগনার গ্রুপ রাশিয়ার দিকে ধাবিত |
ইম/


