বাংলা একাডেমির সভাপতি ও বিশিষ্ট চিন্তক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, “বই পড়া ও শিক্ষা ছাড়া জাতির অগ্রগতি সম্ভব নয়। ব্রিটিশ শাসনের সময় শিক্ষা থেকে দূরে থাকায় বাঙালি মুসলমান সমাজ শত বছর পিছিয়ে পড়ে।”
গতকাল শুক্রবার (২০ মে) বিকেলে রাজধানীর স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বুক অলিম্পিয়াডের জাতীয় পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বুক অলিম্পিয়াড বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি ও লেখক মাহফুজ ফারুক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গবেষক ড. কাজল রশীদ শাহীন, লেখক নাহিদ হাসান, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মো. মোশাররফ হোসেন, ‘এবং বই’ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ এবং ‘স্বরে অ’ প্রকাশনীর আবু বকর সিদ্দিক।
জাতীয় পর্বে প্রথম স্থান অর্জন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাবিবা আক্তার মিম, দ্বিতীয় হন মিতা বিশ্বাস এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তানিয়া আক্তার। বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদ ও বই তুলে দেন অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে বই দিয়ে অতিথিদের বরণ করা হয়। আয়োজনের মধ্যে ছিল বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা, লেখক কথন, কুইজ ও অনুভূতি প্রকাশ পর্ব। বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার ও কবি মনোয়ার লিটন। উপস্থাপনায় ছিলেন কে এইচ খান রোহান, সৌরভ মণ্ডল ও সাদিয়া আফরিন।
সারাদেশের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী বাছাই পর্বে অংশ নেন। জাতীয় পর্বে অংশ নেন শতাধিক নির্বাচিত প্রতিযোগী। প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত বইগুলোর মধ্যে ছিল আল মাহমুদের ‘পাখির কাছে ফুলের কাছে’, বিভূতিভূষণের ‘আম আঁটির ভেঁপু’, জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’, হুমায়ূন আহমেদের ‘ময়ূরাক্ষী’, মাহফুজ ফারুকের ‘বুকপিডিয়া’ এবং ‘কালের ধ্বনি’র বিশেষ সংখ্যা।
এনএ/


