কোনও প্রতিষ্ঠানে ভর্তিরত কোনও শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তী ক্লাসে উঠলে কোনও ভর্তি ফি গ্রহণ করা যাবে না। সম্প্রতি এমন একটি নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। সেখানে টিউশন ফি ও সেশন চার্জ আদায়ের লক্ষ্যে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। এই কমিটির তত্ত্বাবধানে সব ধরনের ফি ও টিউশন ফি আদায় করতে হবে। নীতিমালা লঙ্ঘন করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও স্থগিতসহ কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত মামলার আইনজীবী সাইফুল ইসলাম তপু এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটা সার্কুলারে বলা হয়, বিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তী ক্লাসে উঠলে কোনও ভর্তি ফি নেওয়া যাবে না। কিন্তু এরপরও পুনঃভর্তি ফি গ্রহণ বন্ধ না হওয়ায় গত ২৫ জানুয়ারি জনস্বার্থে বাংলাদেশ আইন ও অধিকার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পরিচালক সুজন মাহমুদ রিট করেন। রিটে তার আইনজীবী ছিলেন সাইফুল ইসলাম তপু।
ইতোমধ্যে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি (বেতন), ভর্তি ফি, সেশন ফিসহ যাবতীয় আয় ব্যয়ের স্বচ্ছতার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সেটি প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন প্রজ্ঞাপনে সই করেন।
নীতিমালার ৫(ঙ) ধারায় বলা হয়, কোনও প্রতিষ্ঠানে ভর্তিরত কোনও শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কোনোক্রমেই পুনঃভর্তি ফি নেওয়া যাবে না। তবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক স্তর) টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪ অনুযায়ী টিউশন ফি গ্রহণ করা যাবে। নীতিমালার ১২ ধারায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের জন্য একাধিক উপকমিটির বিধান রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

