32.3 C
Dhaka
০৭/০৩/২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

শিক্ষা ভবন অভিমুখে শিক্ষকদের ‘ভূখা মিছিল’ আজ


বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি আজ পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে। বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে শিক্ষকরা গত সপ্তাহ থেকে এই আন্দোলন শুরু করেন। এর অংশ হিসেবে আজ (রোববার) তারা দাবি আদায়ের জন্য থালা-বাটি হাতে ‘ভূখা মিছিল’ নিয়ে শিক্ষা ভবন অভিমুখে পদযাত্রা করবেন তারা।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, আমরা জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তুলছি, অথচ নিজেদের জীবনে নিরাপত্তা ও মর্যাদা নেই। বছরের পর বছর প্রতিশ্রুতি শুনেছি, কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি। এখন খালি থালা হাতে রাস্তায় নামা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এটি শুধুই প্রতীকী প্রতিবাদ নয়, এটি আমাদের বঞ্চনার কান্না।

আজিজী আরও বলেন, এই দাবিগুলো শুধু শিক্ষকদের ব্যক্তিগত নয়, দেশের শিক্ষার মান ও সমতা রক্ষার সঙ্গে যুক্ত। সরকার চাইলে আজই এই সংকটের অবসান ঘটাতে পারে। শিক্ষক সমাজ করুণা নয়, প্রাপ্য সম্মান ও ন্যায্য দাবির বাস্তবায়ন চায়।

এর আগে গত রোববার (১২ অক্টোবর) প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচির সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এরপর সোমবার (১৩ অক্টোবর) থেকে সারা দেশে পাঠদান বন্ধ রেখে কর্মবিরতি শুরু করেন শিক্ষকরা।

সরকার এর মধ্যে ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দিলেও শিক্ষকরা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা বলছেন, প্রজ্ঞাপনে ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং কর্মচারীদের ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আন্দোলন এখন রাজধানীর বাইরে জেলাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে যাচ্ছেন না। তারা বিদ্যালয়ের আঙিনা বা শিক্ষক লাউঞ্জে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় এখনো শতাধিক শিক্ষক অবস্থান করছেন। কেউ চট বিছিয়ে, কেউ ব্যানার মাথার নিচে দিয়ে রাত কাটাচ্ছেন। তারা বলছেন, ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এর আগে বুধবার (১৬ অক্টোবর) শাহবাগ মোড়ে তিনঘণ্টা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষকরা। সেদিনই ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচিরও ঘোষণা আসে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আন্দোলনে নামছেন এইচএসসির ফল পাওয়া শিক্ষার্থীরা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন