মৌলভীবাজারে নতুন বছরের প্রথম দিনেই বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিসের নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়, আজ সকাল ৬টায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। যা গতকাল ছিল (৩১ ডিসেম্বর) ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুয়াশার চাদর আর শিশিরে ভেজা প্রকৃতির ঠান্ডায় এখন স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
ভৌগলিক অবস্থানের কারণে চা বাগান, হাওর ও পাহাড় বেষ্ঠিত মৌলভীবাজার জেলায় শীতের প্রভাব বরাবরই তুলনামূলক বেশি হয়। গত কয়েকদিন থেকে ক্রমেই নামছে এ জেলার তাপমাত্রার পারদ। জেলার উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়াতে ঘন কোয়শা কেটে গেলেও শীতের তীব্রতা কমছেনা এতে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেননা, দিনে ও রাতে কেউ কেউ খড়খুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন ।
শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগও বাড়ে। হাড় কাঁপানো শীতে দুর্বিষহ হয়ে উঠে সকালে কাজের খোঁজে বের হওয়া কর্মজীবী মানুষের জনজীবন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম হলেও বিকেলের পর থেকে আবারও শুরু হয় কনকনে শীত। এতে শ্রমজীবি, ছিন্নমুল খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষজন ঠিকভাবে কাজে বের হতে পারছেননা। ফলে তাদের আয় ও রোজগারে ভাটা পড়েছে। আর দুস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা।
ভোরে কথা হয় মৌলভীবাজার শহরের চৌমূহনায় কাজের খোঁজে আসা নানা বয়সি শ্রমজীবীদের সঙ্গে। এসময় শ্রমিক খুঁজতে আসা সদর উপজেলার এক কৃষক বলেন, এখন সবজি খেতে বেশ কাজ। কিন্তু শীতের কারণে মানুষজন কাজে আসছে না। আমি নিজেও কাজের জন্য মানুষ পাচ্ছিনা। তবে কাজের অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকা এক বয়স্ক শ্রমিক বলেন, আমাদের এ মৌসুমটা বেশ কষ্টের। শীত বাড়লে আমরা কাজ পাইনা, কাজে যেতেও পারি না। একদিন কাজ করলে আরেকদিন বসে থাকতে হয়। ফলে আমাদের রোজগার কম হয়।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল অবহাওয়া পর্যেবক্ষণাগারের সহকারী মো: আনিসুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গত কয়েকদিন থেকে মৌলভীবাজার অঞ্চলে তাপমাত্রা উঠা নামা করছে।
পড়ুন – এমিনেন্ট বয়েজের নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠন, সভাপতি জাহিদুল সম্পাদক নিয়াজ


