১৪/০১/২০২৬, ৫:১০ পূর্বাহ্ণ
16 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ৫:১০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

শীতের দাপটে কাঁপছে গাইবান্ধা, শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তি

বছরের শুরু থেকেই উত্তরের পদ গাইবান্ধায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইছে হিম হিম বাতাস। গত তিনদিন থেকে দিনের বেলায় সূর্যের দেখা মিলছে না। এতে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষকে।

বিজ্ঞাপন

আজ রোববার গাইবান্ধায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১.১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজও সকাল থেকে বিকাল দুটা পর্যন্ত কোন সূর্যের দেখা মিলেনি। বৃষ্টির মত ঝরছে শিশির। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে উঠানামা করছে। পাশাপাশি হিম শীতল বাতাস জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলছে। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় রয়েছে শিশু ও বয়স্করা।
এদিকে তীব্র শীতের কারণে খেটে খাওয়া অনেক মানুষই কর্মে যেতে পারেন নাই।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝড় ইউনিয়নের দক্ষিন ধানগড়া গ্রামের ৬০ বছর বয়সী ইসমাইল আকন্দ বলেন,
রাত দিন এখন শীত লাগছে। শরীলোত আর ঠান্ডা সহ্য হওছে না। এ্যালা কামাইও নাই, গরম কাপড়ও নাই হামারে।

ফুলছড়ি উপজেলার কাঁটাতার এলাকার বাসিন্দা হাসান আলী বলেন, নদীর পারত বাড়ি। নদীর ঠান্ডা বাতাস হু-হু করি বেড়ার ফাঁক দিয়া ঘরোত ঢোকে, তখন ছেঁড়া খ্যাতা গাওত দিয়া কোঁকড়া নাগি থাকো।
একই এলাকার বয়সের ভারে ন্যুব্জ তাওয়া বিবি। শীতে তিনিও কাবু। তিনি বলেন, ‘ঝরির মতো রাইতো শীত পড়োছে। দিনোত কুয়াশার তকনে বেড়া যাওছে না। ঠান্ডাতে হাত–পাও পষম বরফ হইছে। খুব কষ্টে আছোম। একনা শীতের কাপড় হইলে মোর খুব ভাল হইল হয়।

সদরের বোয়ালী গ্রামের কৃষক সাইফুল বলেন, বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ার কারনে, বীজতলা নিয়ে চিন্তায় আছি। আর কয়েকদিন এভাবে চলতে থাকলে আমাদের অনেক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, উত্তরের কয়েকটা জেলায় এবার বেশ শীত পড়ছে। তার মধ্যে গাইবান্ধাও। এবারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সমান থাকার কারণে রাত দিন সমান শীত অনুভব হচ্ছে। তবে শীত আরও বাড়ার আশংকা করছেন এই কর্মকর্তা।

পড়ুন: নরসিংদীতে যাচাই বাছাইয়ে অসম্পূর্ণ মনোনয়ন রাতে বৈধ ঘোষণা

দেখুন: রাজ-মিমের পরকীয়ার গুঞ্জন! অগ্নিশর্মা পরী; কী বললেন মিম

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন