ভারতের রাজ্যসভায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬) রাজ্যসভার অধিবেশনে জন বৃত্তাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য তুলে ধরেন তিনি।
রাজ্যসভার অধিবেশন জন বৃত্তাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং জানান, বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনাকে বিচারের জন্য ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করেছে। তবে, এ বিষয়ে ভারত সরকার এখনও কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।
গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে আসার আগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তার প্রত্যর্পণ চেয়েছে। তবে, ভারত সরকার এখনও এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
এর মধ্যেই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের চালানো দমন-পীড়নকে ‘গণহত্যা’ বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর মধ্যে শেখ হাসিনা, তার পরিবারের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
এদিকে, ভারতের রাজ্যসভায় এই বিষয়ে আলোচনা হওয়ার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ভারতকে লিখিতভাবে অনুরোধ করেছেন,যেন শেখ হাসিনা উসকানিমূলক বক্তব বন্ধের জন্য ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে, দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পড়ুন:শেখ হাসিনাকে থামান, ফের দিল্লিকে ঢাকার বার্তা
দেখুন:রূপগঞ্জের মহাসড়কে লেখা ‘শেখ হাসিনা ফিরবেই ‘, ধরিয়ে দিতে পুরষ্কার ঘোষণা
ইম/


