22.9 C
Dhaka
০৭/০৩/২০২৬, ১:৫২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

শেরপুরে এবার ২১ রোহিঙ্গাকে পুশইন করল বিএসএফ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্তে আবারও অবৈধভাবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইনের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার নাকুগাঁও সীমান্ত দিয়ে শিশু, নারীসহ ২১ জনকে পুশইন করে তারা। তাদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক পাঁচজন পুরুষ ও পাঁচজন নারী এবং ১১ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু রয়েছে। বিষয়টি সকালে প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ ৩৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদি হাসান।

বিজ্ঞাপন

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে উপজেলার হাতিপাগাড় বিজিবি ক্যাম্পের আওতাধীন নাকুগাঁও সীমান্ত এলাকার ১১১৬ মেইন পিলার দিয়ে এসব রোহিঙ্গাকে পুশইন করেন কিলাপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা। পরে বিজিবির টহল দল তাদের আটক করে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাখেন। এর আগে গত ১১ জুলাই একই উপজেলার পানিহাতা সীমান্ত দিয়ে শিশুসহ ১০ নারী-পুরুষকে পুশইন করে বিএসএফ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানা যায়, আটক ব্যক্তিরা ছয়টি পরিবারের সদস্য। তারা ২০১৭ সালে কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতের জম্মু-কাশ্মীরে যায় এবং সেখানে শ্রমিক হিসেবে হোটেলে ও বাসাবাড়িতে কাজ করতে শুরু করে। এক মাস আগে ভারতীয় পুলিশের অভিযানে অবৈধভাবে ভারতে বসবাসের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তারা কক্সবাজারের উখিয়া ক্যাম্পে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক হিসেবে ছিল বলে পরিচয় দেয়। সেই হিসাবে তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে ভারতীয় পুলিশ।

এ ব্যাপারে ৩৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদি হাসান বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে আরও তথ্য যাচাই-বাছাই এবং পরবর্তী কার্যক্রমের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জুলাই শুক্রবার ভোরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পানিহাতা সীমান্ত দিয়ে শিশুসহ ১০ নারী-পুরুষকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তাদের মধ্যে ২ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৪ জন শিশু ছিলো।

পড়ুন: নোয়াখালীতে পুকুরের পানিতে ভাসছিল নারীর মরদেহ

দেখুন: হাতের লেখা স্পষ্ট না হওয়ায় অকৃতকার্য প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন