ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আজ কথায় কথায় সংবিধানের দোহাই দেওয়া হয়। অথচ সংবিধানে ২০২৬ সালের নির্বাচন বা সরকার গঠন ও প্রধান বিরোধী দলের দায়িত্ববিন্যাস উল্লেখ ছিল না। এই বাস্তবতা সম্ভব হয়েছে শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কারণে।”
রবিবার (২২ মার্চ) বিকালে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “মনে রাখতে হবে সংবিধানের জন্য জনগণ নয়, বরং জনগণের জন্যই সংবিধান। গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণে জুলাই সনদের বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।”
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “আমাদের দেশে প্রচুর সম্পদ রয়েছে। শুধু চরিত্রগত গুণাবলীর অভাবে আমরা প্রত্যাশিত বাংলাদেশ দেখতে পারছি না। অথচ দেশের সন্তানরা বিশ্বে মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। আমরা চাই, এই মেধাবীদের জাতির নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত করা হোক।”
তিনি বিএনপি-এর উদ্দেশ্যে বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর আমার বন্ধুপ্রতিম রাজনৈতিক দলের নেতারা বলেছিলেন, ‘নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশে স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়।’ কিন্তু নির্বাচিত সরকারও আসলেও প্রত্যাশিত স্থিতিশীলতা দেখা যায়নি। সমাজ থেকে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও প্রতিহিংসা দূর হয়নি।”
পড়ুন: দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন: ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের সামনে কঠিন পথ, নেই সহজ সমাধান
আর/


