২৫/০২/২০২৬, ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ
19.2 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ৫:৪২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

দেশের অর্থনীতির কঠিন ও করুণ অবস্থা চলছে : রিজভী

দেশের অর্থনীতির কঠিন ও করুণ অবস্থা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এটা শুধু মুখের কথা নয় সামনে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে দেশে দুর্ভিক্ষ হয় কি না এটা এখন মানুষের মনে মনে। যদি আমরা দুর্ভিক্ষের আলামত দেখতে পাই শুনতে পাই তাহলে তো জনগণ আমাদের ছেড়ে দেবে না।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুসের রোগ মুক্তি কামনায় দুঃস্থদের মাঝে জায়নামাজ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে বৃহত্তর আদর্শের জন্য লড়াই করছে মন্তব্য করে রিজভী বলেন, আমরা বৃহত্তর আদর্শের জন্য লড়াই করছি। মানবিক, সাম্য, ন্যায় বিচারের জন্য লড়াই করছি। আইনের শাসনের জন্য লড়াই করছি যার জন্য দরকার চিরায়ত গণতন্ত্র, খাটি গণতন্ত্র। এটা বৃহত্তর আদর্শের লড়াই যেখানে জনগণের মালিকানা জনগণ ফিরে পাবে।

রিজভী বলেন, জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে প্রতিটি পদে পদে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। সেই জবাবদিহিতা এখন নেই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেও আমরা মনে করি জনসমর্থিত। কারণ সমস্ত রাজনৈতিক দল শুধু আওয়ামী লীগ আর তাদের কয়েকটি দোসর ছাড়া সবাই এই সরকারকে সমর্থন করেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমরা সবাই সমর্থন করে যাচ্ছি। কিন্তু এটাও তো ঠিক দুর্ভিক্ষের আলামত যদি আমরা দেখতে পাই, শুনতে পাই, তাহলে তো জনগণ আমাদের ছেড়ে দেবে না।

তিনি বলেন, আজ প্রায় অসংখ্য গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, মানুষ কর্মহীন হচ্ছে। মানুষ যদি খাবার কিনতে না পারে তাহলে কিন্তু দুর্ভিক্ষের আলামত তৈরি হবে এবং কেউ-ই কিন্তু রেহাই পাবে না আর হাততালি দেবে ওই পতিত ফ্যাসিস্টরা।

রিজভী বলেন, যে দোসরা ব্যাংকের হাজার কোটি টাকা মেরে বিদেশে পাচার করেছে তাদের সঙ্গে নামে মাত্র কিছু প্রতিষ্ঠান একই কাজ করেছে। সরকার ইচ্ছা করলে এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ করে সেই প্রতিষ্ঠানগুলো চালাতে পারে। গার্মেন্টসগুলো যাতে বন্ধ না হয় সরকার এটাকে নানাভাবে টেকওভার করতে পারে। দোসররা থেকে থাকলে তাদের বিচার করুন। শ্রমিকদের কলকারখানা যেন বন্ধ না হয়। কারণ, অর্থনীতির কঠিন করুণ অবস্থা। এটা শুধু মুখের কথা নয় সামনে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে দেশে দুর্ভিক্ষ হয় কিনা এইটা এখন মানুষের মনে মনে। আর্থিক শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে এটা ঠিক কিন্তু পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি না করলে জনগণের কাছে কেউ-ই রেহাই পাবেন না।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, জিয়া পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি ড. শফিকুল ইসলাম, মহাসচিব ড. এমতাজ হোসেন প্রমুখ।

পড়ুন: দেশের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলকে এক কাতারে থাকতে হবে: রিজভী

এস/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন