শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জের চরসেনসাস ইউনিয়নে দুটি অবৈধ ইটভাটায় গিলে খাচ্ছে কৃষি জমির মাটি। রাতের আঁধারে কৃষি জমির টপসয়েল কেটে মাটির পাহাড় গড়ছে ভাটা দুটিতে। ভাটার মালিকদের প্রভাব প্রতিপত্তের ভয়ে প্রতিবাদ করারও সাহস পাচ্ছেন না কৃষকরা। স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আশায় খোদার কাছে ফরিয়াদ করছেন তারা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরসেনসাস ইউনিয়নের নরসিংহপুর মৌজার মেসার্স মেঘনা ব্রিকস ও চাঁদপুরের ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের মেসার্স মায়ের দোয়া ব্রিকস ফিল্ড ৫০০ মিটারের মধ্যে অবস্থিত। এইভাটা দুটির ইট পোড়ানোর লাইসেন্স না থাকলেও বছরের পর বছর ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভাটা দুটি কৃষি জমির মাটি কেটে ইট তৈরি করে।
নরসিংহপুর বাজার থেকে আনুমানিক ১ কিলোমিটার উত্তরে খাস জায়গা থেকে কৃষি জমির টপসয়েল কেটে মাহিন্দ্র গাড়ি ভর্তি করে ইটভাটায় নিয়ে যাচ্ছে।সন্ধার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে তাদের এ কর্মযজ্ঞ। এতে হুমকির মুখে পড়েছে নরসিংহপুর বাজার থেকে নদীর পাড় দিকে নতুন কার্পেটিং রাস্তাটিও। অবৈধ বিশাল আকৃতির মাহিন্দ্র গাড়ি সরু এ রাস্তাটিতে মাটি ভর্তি করে চলাচল করায় অল্পসময়ের মধ্যে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে বলে ধারনা করছেন স্থানীয়রা।
এসব খাস জমিগুলোতে চাষবাস করে যে সমস্ত কৃষকরা জিবীকা নির্বাহ করতেন তাদের স্বাভাবিক জিবনও পড়েছে হুমকির মুখে।
স্থানীয় কৃষক রহিম ও বাদল বলেন, আমাদের বাপদাদার জমি এখন খাস হয়ে গেছে। আমরাই চাসবাস করে খাই। যারা মাটি কাটছে তারা অনেক প্রভাবশালী। বাধা দেয়ার শক্তি ত আমাদের নাই।
মেসার্স মেঘনা ব্রিকসের মেনেজার ওমর বলেন, আমাদের পাশাপাশি ১ টি ভাটা ও আমরা মিলে মাটি আনছি। পুরোপুরি বিষয় আমার চেয়ারম্যান বলতে পারবেন।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজুল হক বলেন, বিষয়টি এর আগে আমরা জানতাম না। খোজ নিয়ে আমরা অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নিব।
পড়ুন- যশোরের মণিরামপুরে বাদুড়ের মাংস খেয়ে একই পরিবারের ৬ জন অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি


