সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজীর প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জেরনিকলীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভূক্তভোগীরা।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে নিকলী উপজেলা সদরের শহীদ স্মরণিকা বালিকাউচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বীর বিক্রম চত্বরে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজীর অভিযোগেশেখ উবায়দুল হক সম্রাটকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।
মানববন্ধনে কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জামাল সর্দারবলেন, সম্রাটের চাঁদাবাজী ও হুমকিতে জনগণ অতিষ্ঠ। সম্রাট তার কাছে সাতলক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নিকলী সদর ইউনিয়নের জাফরাবাদ গ্রামের মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি ১০ বছরকোরিয়ায় প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে ইট, বালু ও পাথরের ব্যবসা শুরু করি।এখানে সম্রাটকে নিয়মিত চাঁদা দিতে হয়। কিছুদিন আগেও ৫০ হাজার টাকা
চাঁদা দাবি করেন তিনি। এ ব্যাপারে নিকলী থানায় অভিযোগ করেও কোনোপ্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বক্তারা সম্রাটকে নিকলী থানার দালাল আখ্যা দিয়ে বলেন, এ কারণেই সম্রাটের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেও ভুক্তভোগীরা কোনো প্রতিকার পাচ্ছেনা।
বক্তারা আরো বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক তেমন কোনো শিক্ষা না থাকায় সম্রাট ছোটবেলা থেকেই রাস্তার পাশে বসে ক্যালেন্ডার, ভিউ কার্ড, গল্প, গান ও কবিতার ছোট ছোট বই বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতো। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন আওয়ামী লীগের এক নেতার হাত ধরে রাজনীতির মাঠে যাত্রা শুরু তার। পরে আরো কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার সান্নিধ্যে এসে তাদের আশ্রয়
প্রশ্রয়ে সম্রাট নিকলীতে শুরু করেন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজীসহ নানা অপকর্ম। বিগত ৫ আগস্ট ক্ষমতার পালাবদলের পর সম্রাট নিজেকে বিএনপির কর্মী দাবিকরে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজী অব্যাহত রাখেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
অভিযুক্ত শেখ উবায়দুল হক সম্রাট এসব অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে বিএনপির একজন কর্মী দাবি করে বলেন, আমি নিকলী উপজেলা প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠা করে কয়েকজন সাংবাদিক তৈরি করেছি। তাদেরকে নিয়েই প্রেসক্লাব চালাই। আমার কারণে
যারা প্রেসক্লাবে আসতে পারছেনা, তারাই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি।
দেখুন: নতুন মামলায় গ্রেপ্তার আতিকসহ ছয় প্রভাবশালী নেতা
ইম/


