মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের ঘোষিত নতুন সময়সূচি বাস্তবায়নের দ্বিতীয় দিনে সন্ধ্যা ৬টার পরও রাজধানীতে অধিকাংশ দোকানপাট খোলা। আবার কোথাও বন্ধ দেখা গেছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দেখা যায়, নির্ধারিত সময় সন্ধ্যা ৬টার পর প্রধান সড়কসংলগ্ন বড় মার্কেট ও শপিংমলগুলো বন্ধ থাকলেও মহল্লার ভেতরের অধিকাংশ ছোট-বড় দোকান, হোটেল ও ক্যাফে খোলা রয়েছে।
রাজধানীর বাড্ডা, রামপুরা, খিলগাঁও, নর্দা, কুড়িল, খিলক্ষেত ও উত্তরা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সন্ধ্যা ৬টার পর থেকেই প্রগতি সরণি এলাকার যমুনা ফিউচার পার্ক বন্ধ রাখা হয়েছে। একইভাবে প্রধান সড়কসংলগ্ন বেশির ভাগ বিপণিবিতান ও শপিংমল তাদের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। বিশেষ করে খিলক্ষেত ও উত্তরার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের আশপাশের অধিকাংশ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকতে দেখা যায়।
তবে প্রধান সড়কের বাইরের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। আবাসিক এলাকার ভেতরের মহল্লাগুলোতে অধিকাংশ দোকানপাটই খোলা থাকতে দেখা গেছে। সেখানে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি স্বাভাবিক রয়েছে এবং স্থানীয় ক্রেতাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। হোটেল, ক্যাফে ও ছোটোখাটো খাবারের দোকানগুলোও স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন থেকে সরকারি-বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলছে। ব্যাংকে লেনদেন হচ্ছে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং বিকেল ৪টার মধ্যে ব্যাংক বন্ধ করার নির্দেশনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা গত শুক্রবার থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে কাঁচাবাজার, ফার্মেসি, হোটেলসহ জরুরি সেবার আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই বিধিনিষেধের বাইরে রাখা হয়েছে।
পড়ুন : সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই দোকান ও শপিংমল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত বহাল


