২৪/০২/২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
19.3 C
Dhaka
২৪/০২/২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সবুজ পৃথিবী গড়তে শিশুদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

মেঘাচ্ছন্ন আকাশের ফাঁক গলে হঠাৎ রোদের ঝিলিক পড়তেই নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলের মাঠ যেন আলোকিত হয়ে ওঠে। সেই মাঠেই প্রতিদিনের মতো হাত ধরে স্কুলে আসে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়াদ ও তার দাদু মোত্তালেব। তবে আজকের দিনটা রিয়াদের জন্য বিশেষ। কারণ, আজ সে শুধু পড়াশোনা শেষ করেই বাড়ি ফিরবে না সে ফিরবে হাতে এক টুকরো ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি নিয়ে। দিনের শেষে তার হাতে তুলে দেওয়া হবে একটি গাছের চারা। ছোট্ট এই চারা নিয়েই রিয়াদের স্বপ্ন বাড়ির উঠোনে রোপণ করবে, প্রতিদিন পানি দেবে, যত্ন করবে। একদিন গাছটি বড় হবে, ছায়া দেবে, ফল দেবে, আর হয়তো তারই ছায়ায় দাঁড়িয়ে রিয়াদ হাসবে, খেলবে। এইভাবেই শিশুদের হাতে গাছ তুলে দিয়ে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলছে সৃজনশীল গাইবান্ধার।
আজ সোমবার (২৫ আগস্ট ২০২৫) সকালে নিউটন প্রিপারেটরী স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো এক ভিন্নধর্মী সবুজায়ন আয়োজন। “সবুজ পৃথিবী, প্লাস্টিকমুক্ত ভবিষ্যৎ” স্লোগানে শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হলো ১০ প্রজাতির মোট ৫০০টি গাছের চারা। গাছগুলো হলো- নিম, কৃষ্ণচূড়া, সজনে, আম, লেবু, পেয়ারা, লিচু, আমলকি, অর্জুন ও আমড়া। এ উদ্যোগ সৃজনশীল গাইবান্ধার সবুজায়ন প্রকল্প সিজন-৮ এর দ্বিতীয় ধাপের অংশ। গাছের চারাগুলো শুধুমাত্র শিশুদের হাতে তুলে দেওয়াই নয়, বরং আগামী প্রজন্মের কাছে প্রকৃতিকে ভালোবাসার বার্তা পৌঁছে দেওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলের অধ্যক্ষ সুকমল চন্দ্র সরকার “শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া মানে তাদের হাতে ভবিষ্যতের আশা তুলে দেওয়া। আজকের এই শিশুরাই আগামী দিনের প্রকৃতি রক্ষক। এই উদ্যোগকে আমি অভিনন্দন জানাই। আমাদের স্কুলের প্রতিটি শিশু যদি একটি করে গাছ লালন করে, তবে একদিন এ গাছগুলো আমাদের পরিবেশকে শীতল ছায়া দেবে, ফল দেবে, অক্সিজেন দেবে।
সৃজনশীল গাইবান্ধার সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান “আমরা বিশ্বাস করি, গাছ শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, এটি মানুষের জীবনরক্ষার হাতিয়ার। তাই আমাদের সবুজায়ন প্রকল্পের প্রতিটি গাছই আগামী দিনের জন্য একেকটি স্বপ্ন। শিশুদের হাতে আমরা গাছ দিচ্ছি, যেন তারা শৈশব থেকেই প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ শেখে। সবার সহযোগিতায় আমরা একটি সবুজ, নির্মল ও প্লাস্টিকমুক্ত গাইবান্ধা গড়ে তুলতে চাই।”
চারা হাতে নিয়ে ছোট্ট মুহিত হাসান উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলে, “আমি গাছটি পেয়ে অনেক খুশি। বাসায় গিয়ে আমি গাছটি লাগাবো, যত্ন নেবো।”ফাবিয়া আনজুম বলে, “গাছ থেকে আমরা ফল পাই। আজ যে গাছগুলো আমাদের হাতে এসেছে, সেগুলো অনেক উপকারী। আমাদের গাছের যত্ন নিতে হবে।”আব্দুর রহমান আনন্দ প্রকাশ করে জানায়, “সৃজনশীল গাইবান্ধাকে ধন্যবাদ। আমাদের এতগুলো গাছ উপহার দিয়েছে, আমরা অনেক খুশি হয়েছি আমরা বেশি বেশি করে গাছ লাগাবো। গাছের আমাদের বন্ধু।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক উদ্ধার ও দুই বাংলাদেশি আটক

দেখুন: ভোলায় আগ্নে*য়া*স্ত্রসহ ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ছেলে আটক 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন