বিজ্ঞাপন

ই-ক্লাবের নতুন সভাপতি অন্তু করিম, সম্পাদক জিসান

উদ্যোক্তাদের সংগঠন অন্ট্রাপ্রেনিওরস ক্লাব অব বাংলাদেশের (ই-ক্লাব) নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বনানী ক্লাবে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটিতে ব্যবসায়ী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও জনপ্রিয় অভিনেতা অন্তু করিমকে সভাপতি এবং মো. সোলায়মান আহমেদ জিসানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

এছাড়া, অন্যান্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট- আব্দুল্লাহ সাফি, ভাইস প্রেসিডেন্ট -স্থপতি মো. আব্দুর রহমান নিপু, ভাইস প্রেসিডেন্ট-ফাহমিদা আহমেদ বিউটি, যুগ্ম সম্পাদক-আর্কিটেক্ট অরূপা দত্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক-মো. হাসান ইকরাম আহমেদ, প্রচার সম্পাদক-মো. দেলোয়ার হোসেন, ইভেন্টস অ্যান্ড মিটআপের পরিচালক কবির হোসেন, মেম্বারশিপ সার্ভিসের পরিচালক শারমিন সাত্তার অবনী, লিগ্যাল অ্যান্ড ডিসপিউটের পরিচালক অ্যাডভোকেট শাকিল আহমাদ, ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিনের পরিচালক আরিফুর রহমান ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট অন্তু করিম বলেন, ‘ই-ক্লাবকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমরা একসঙ্গে কাজ করবো। উদ্যোক্তাদের জন্য আরও কার্যকর নেটওয়ার্কিং ও সহায়তা সেবা চালু করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

এসময় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সোলায়মান আহমেদ জিসান নিজের অনুভূতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি সুসংগঠিত, আধুনিক ও কার্যকর সংগঠন গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নতুন কমিটির সবাই মিলিতভাবে ই-ক্লাবের কার্যক্রম আরও গতিশীল করবে।’

নতুন নির্বাহী কমিটির সদস্যরা তাদের দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে ই-ক্লাবকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. শাহরিয়ার খান ও ডা. তৃণা ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ই-ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও ইসি অ্যাডভাইজরি বোর্ড মেম্বার প্রফেসর ড. মো. শাহ আলম চৌধুরীসহ বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিক ও গুণিজনেরা। অনুষ্ঠানে শতাধিক আমন্ত্রিত অতিথির সামনে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা ও তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান ই-ক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি মো. শাহরিয়ার খান।

এনএ/

দেখুন: বার সভাপতি-সম্পাদকের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন