19.9 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

দেড়শ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ৭০০ কোটি টাকার লেনদেন আনিসুল হকের

আইন-বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হকের প্রায় দেড়শ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া প্রায় সাতশ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগে ইতোমধ্যে মামলার অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে মামলা দায়ের করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আনিসুল হক ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিমসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে গত ৭ অক্টোবর থেকে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। যার মধ্যে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী তৌফিকা করিমের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও অপর এক সহযোগী ফারহানা ফেরদৌস নামে এক নারীর বিরুদ্ধে আসা পৃথক আরও একটি অভিযোগ আমলে নিয়ে অনুসন্ধান করছে দুদকের অনুসন্ধান টিম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ সংক্রান্ত। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আনিসুল হক মন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রচুর পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। নিজ নামে কসবা, ত্রিশাল এবং পূর্বাচলে ৬.৮০ একর জমি ক্রয়, সিটিজেন ব্যাংক, এক্সিম বাংলাদেশে শেয়ারের পরিমাণ ৪০.১০ কোটি; সঞ্চয়পত্র, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা এবং অন্যান্য বিনিয়োগ ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার ৮৮৪ টাকা, ৪টি গাড়ি ও ১টি মোটরসাইকেল রয়েছে।

হলফনামা ও কর নথি সূত্রে জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় মন্ত্রী আনিসুল হক তার হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তার কাছে নগদ আছে ১০ কোটি ৯২ লাখ ৯৪ হাজার ১৯৯ টাকা, যা ১০ বছর আগের তুলনায় ২১৮ গুণ বেশি। পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা করা অর্থের পরিমাণও ১০ বছরের ব্যবধানে বেড়েছে ২ কোটি ৫৪ লাখ ৬০ হাজার ৭৮৭ টাকা।

এনএ/

আরও পড়ুন: বসুন্ধরার চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের বিদেশে থাকা সম্পদ জব্দের আদেশ

দেখুন: আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন