গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাংবাদিকদের উপর অতর্কিত যুবদল নেতার হামলা করছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত যুবদল নেতার ভাই গ্রেফতার। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার রাজাহার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি উপজেলার রাজাহার ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নুরুন্নবীর ছোট ভাই নূর আলম।
এর আগে ৩০মার্চ দুপুর আড়াইটার দিকে খবর আসে রাজাহার ইউনিয়নের নওগাঁ(প্রভুরামপুর) মরাপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের পার্শ্বে আধিপত্য নিয়ে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার খবর পেয়ে, গোবিন্দগঞ্জ সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এশিয়ান টেলিভিশনের জেলার আটজন এশিয়ান টিভির মধ্য গাইবান্ধা -২প্রতিনিধি মাহমুদ খানসহ সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিডিও করেন। এ সময়, রাজাহার ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নুরুন্নবী ও তার ভাই নূর আলমসহ অজ্ঞাত ৪/৫জন বাঁধা দিয়ে গালিগালাজ করে এক পর্যায়ে লাঠি সোটা, ধারালো দেশীয় নিয়ে অতর্কিত হামলা,মারপিট করে হত্যার চেষ্টা করে। এসময় সাংবাদিক জোবাইদুর রহমান সাগরের ভিডিও ধারনকৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে ভাংচুরসহ অন্যান্য ক্ষতিসাধন করে। তাদের আহত করে আটকে রাখে। খবর পেয়ে অন্যান্য বি়ভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক বৃন্দ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক মাহমুদ খান গতকাল বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার মামলা দায়ের করেন।
এবিষয়ে জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভুট্টু বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। প্রকৃত ঘটনা খোঁজ নিয়ে দেখছি।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, সাংবাদিকদের মারধরের এ ঘটনায় সাংবাদিক মাহমুদ খান দুইজনকে আসামী করে খানায় একটি মামলা করেন। মামলা আসামী নুর আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরেক আসামী নুরুন্নবী পলাতক রয়েছে। তাকেও গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
পড়ুন- জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও পাচার প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে বিজিবি


