হামলার ঘটনা ভিডিও করার কারণে গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে ২৪ঘন্টার মধ্যে ৭জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গেল রাতে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকা ও ঢাকার তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব আসামীদের গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে ৬জনকে পুলিশ ও ১ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। সিসি ক্যামেরায় দেখা যাওয়া অপর আসামী আরমানকে গ্রেফতার করা হবে বলেও জানান মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার।
সিসিটিভি ও ভিডিও দেখে চিহ্নিত হওয়া ৮জনকে শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পাবনার চাটমোহন থানার পাঁচবারিয়া এলাকার মিজান উরফে কেটু মিজান, তার স্ত্রী গোলাপি, কুমিল্লার হোমনা থানার শাহ জালাল, শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার সুমন উরফে সাব্বির, পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার মো. স্বাধীন, আলামীন, শহিদুল ও ফয়সাল হাসান।
স্বাধীনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। সকালে র্যাব -১ এর কোম্পানী কমান্ডার এসপি কে এম এ মামুন খান চিশতী সংবাদ সম্মেলনে জানান আসামি স্বাধীন প্রাথমিকভাবে অপরাধ স্বীকার করেছে।
এদিকে দুপুরে শহরের গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টার এ সংবাদ সম্মেলন করেন জিএমপি কমিশনার ড. মোঃ নাজমুল করিম খান। তিনি বলেন, গোলাপীর হানিট্রাপে পড়ে ব্যাংক থেকে টাকা তোলা বাদশাহ বাকবিতন্ডায় জড়ানোর পর গোলাপীর লোকজন বাদশার উপর হামলা চালায় সেই দৃশ্যটি সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন ভিডিও করলে সেটা আসামিরা দেখে ফেলে। ভিডিও ডিলিট না করলে আসামিরা তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা করে।
মেডিকেল রিপোর্ট পেলে সর্বোচ্চ ১৫দিনের মধ্যে চার্জশিট দেয়া হবে বলে জানান। তাদের সর্বোচ্চ বিচার দ্রুত সময়ের সাজা নিশ্চিত করা হবে। সাজার সংস্কৃতি নিশ্চিত করা গেলে ক্রাইম দমন করা যাবে।
যথার্থ নিরাপত্তা নিশ্চিত না করতে পারার দায় নিয়ে সাংবাদিক কম্যুনিটির প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং নিহত আসাদুজ্জামান তুহিনের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান লুলিশ কমিশনার।
পড়ুন: নোয়াখালীতে প্রবাসীর পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু, চালকের বিরুদ্ধে মামলা
দেখুন: বন্ধ রয়েছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, শঙ্কায় পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রও
ইম/


